শনিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৮, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ ১০০% হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট আশা করলেও নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধান দাবি দুটির প্রতি কর্ণপাত নেই, প্রতিশ্রুতি দেয়নি। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি দাওয়া পূরণে আন্তরিক নয়; তারা হিন্দু সম্প্রদায়কে শুধু ক্ষমতায় বসার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। অপর দিকে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতা দেখায়নি। তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ২য় দাবি “সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়” প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতা দেখায়নি। অর্থাৎ আগামীতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হবে।
তারা সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি স্বাধীন সংখ্যালঘু কমিশন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
শনিবার বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহার ও সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের আশা হতাশা ও নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। আরো উপস্থিত ছিলেন হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডঃ দীনবন্ধু রায়, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডঃ সোনালী দাস, ডাঃ মৃত্যুঞ্জয় রায়, অ্যাডঃ বি. বি. গোস্বামী, প্রদীপ কুমার পাল, মিঠু রঞ্জন দেব, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় ভট্টাচার্য, সমন্বয়কারী অ্যাডঃ তারক চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব উত্তম দাস, যুগ্ম মহাসচিব মণিশঙ্কর মন্ডল, অ্যাডভোকেট উদয় বসাক, সঞ্জয় ফলিয়া, সহ-আর্ন্তজাতিক সম্পাদক বিজন সানা, ঢাকা দক্ষিণ হিন্দু মহাজোটের আহ্বায়ক রণি ঘোষ, সদস্য সচিব শ্যামল ঘোষ, হিন্দু যুব মহাজোটের সহ সভাপতি কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার হালদার, আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ সমিত রায়, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মিঠুন কুমার দাস, দপ্তর সম্পাদক জীবন কুমার রায়, সিমন সরকার, প্রবীর সরদার, সুমন দাস, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল, সহ সভাপতি বাবুল কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক হরেকৃষ্ণ বারুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘটক, সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ নন্দী শীল, রতন চন্দ্র মিস্ত্রি, উত্তম কুমার অধিকারী, শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রি প্রমুখ।