বুধবার, মে ১, ২০১৯, ৮:০০ অপরাহ্ণ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান এর দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি)। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (পাস)।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ওয়াসার এই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এই কমিটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, দুদকের চিঠি আমলে নিয়ে মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানসহ ওই প্রতিষ্ঠানের দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। এছাড়া, বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
দুদক এসব অভিযোগ ও সংবাদ আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় গত ২৯ এপ্রিল ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খান, দুই পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কাশেম ও প্রকৌশলী একেএম সহিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পানি সরবরাহ) মো. জহিরুল ইসলাম (আহবায়ক) ছাড়া কমিটির অপর ৪ সদস্য হলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মুহম্মদ ইব্রাহিম, পলিসি সাপোর্ট ইউনিটের দায়িত্বে নিয়োজিত যুগ্মসচিব, নগর উন্নয়ন-২ এর দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব এবং পানি সরবরাহের দায়িত্বে থাকা একজন উপসচিব।

তদন্ত কমিটি এরই মধ্যেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছে। কমিটির একজন সদস্য জানিয়েছেন, তারা বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্পের পাইপ কেনার জন্য ৫শ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখবে।

RSS
EMAIL
Facebook20
Facebook
Google+20
Google+
http://newsmediabd24.com/%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8">
Twitter20
Visit Us
YouTube20
PINTEREST
LINKEDIN