সোমবার, আগস্ট ২৭, ২০১৮, ৩:০১ অপরাহ্ণ

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: এক অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কাছে ২৩১ কোটি মার্কিন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু তারপরও ডলারের উচ্চমূল্যের লাগাম টানা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। ডলারের এই টানাপোড়েন তথা সংকট সহসাই কাটছে না বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাই সরকারের উচ্চাভিলাসী পণ্য আমদানির লাগাম টেনে ধরতে চাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ব্যাংকাররা বলছেন, ডলারের চাহিদা মূলত তৈরি হয়েছে সরকারের মেগা প্রকল্পের কারণে। নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতু কিংবা উন্নয়নের রসদ বিদ্যুতের যোগান- সবক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ যন্ত্রণাংশ আমদানি প্রয়োজন। সে জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রাও।

এক সময় দেশীয় ব্যাংকগুলো বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণপত্র খুলে কমিশন থেকে ব্যাপকমুনাফা করলেও এখন এই ঋণের দায় মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খুব দ্রুতই বেড়েছে ডলারের দাম। দেশের আমদানি-রফতনির মধ্যে গড়ে উঠেছে বিস্তর ব্যবধান।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অর্থবছরের মে পর্যন্ত রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এ সময়ে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ। কিন্তু আমদানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে এই দুইয়ের যোগফল থেকে অনেক বেশি, ২৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। তারপরও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করে টাকার বিপরীতে ডলারের দর ধরে রাখতে পারছে না।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কাছে ২৩১ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উচ্চ মূল্যে ডলার কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংকগুলো। কারণ বিদ্যমান তারল্য সংকটের মধ্যে এর বিপরীতে টাকার যোগান দেয়াটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

ডলারের চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে কমবে না বলেও মনে করেন ঢাকা ব্যাংক সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ।