রুমানাকে ব্যাট উপহার দিলেন তামিম

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। চলছে তোড়জোড় করা প্রস্তুতি। নারী ওয়ানডে দলের অধিনায়ক রুমানা আহমেদ স্বাভাবিকভাবে দারুণ সিরিয়াস। কিন্তু এর আগেই শুনতে হয় দুঃসংবাদ। অনুশীলন ক্যাম্প শুরুর দুদিন আগে তার প্রিয় ব্যাট দু’টোই চুরি হয়ে গেছে। এর কাছ থেকে ওর কাছ থেকে ধার করে অনুশীলন চালান।

কিন্তু মূল ম্যাচে এভাবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে কাজটা একটু কঠিন। তবে তা সহজ করে দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। রুমানার ব্যাট চুরি যাওয়ার খবর জানতে পেরেই নিজের একটি ব্যাট উপহার দিলেন নারী দলের অধিনায়ককে। আর ব্যাট পেয়ে ভীষণ খুশি রুমানা।

ব্যাট চুরির ঘটনাটা তামিমকে নিজেই জানিয়েছিলেন রুমানা। তবে আশা করেননি এতো দ্রুতই উপহার পেয়ে যাবেন। সিলেট থেকে ক্যাম্প শেষে ঢাকায় ফিরে বিসিবিতে এসেই তামিমের কাছ থেকে ব্যাট উপহার পেয়েছেন রুমানা। আর তাই উচ্ছ্বাসটা গোপন করতে পারেননি অধিনায়ক, আসলে ক্যাম্প শুরুর আগের দিন আমার দুইটা ব্যাটই চুরি হয়ে যায়। যার কারণে আমার একটু সমস্যা হচ্ছিল ব্যাট নিয়ে। আমি এটা তামিম ভাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করি। তারপর তামিম ভাই আমাকে একটি ব্যাট উপহার দেন। খুব আনন্দিত আমাদের ভাইরা আমাদের সমর্থন দিচ্ছেন।

বর্তমানে ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে রিহ্যাব করছেন তামিম। হাঁটুতে চোট। যথারীতি মিরপুরে রিহ্যাবে এসেছিলেন বুধবারও। রুমানার হাতে এক ফাঁকে ব্যাট তুলে দেন তিনি। ব্যাটের প্রসঙ্গ এলে বৃহস্পতিবার তামিম জানান, হ্যাঁ, গতকালই ওকে একটা ব্যাট দিয়েছি। ওর ব্যাট দুটোই চুরি হয়ে গেছে। তাই উপহার দিলাম।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্যের ব্যাট নিয়ে বড় বড় রেকর্ড গড়ার উদাহরণ ভুরিভুরি। ঘরোয়া অঙ্গনে তো আরও বেশি। তাই তামিমের ব্যাট কতটা সৌভাগ্য আনে রুমানার জন্য তাই দেখার বিষয়। নারী দলের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার তামিমের ব্যাট পেয়ে ভীষণ উৎফুল্ল তবে ব্যাটের গুণে নয় খেলবেন নিজের প্রতিভায়, ব্যাটে কি হবে আমি জানিনা, আমি আমার মেধা ও প্রতিভা দিয়ে খেলতে চাই।

নারী দলের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হওয়ার পরও রুমানার বিসিবি থেকে মাসে পান ৩০ হাজার টাকা। ভালো মানের একটি ব্যাটের দাম এরচেয়ে বেশি। ছেলে ক্রিকেটারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক বিচারে আছে বিস্তর ফারাক। সেই ফারাক ঘুচাতে কেবল ব্যাট নয় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরলে রুমানাদের স্পন্সর জোগাড় করে দেয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তামিম ইকবাল।

কোনও বিদেশি শক্তি নয়,ভাগ্য নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ :ওবায়দুল কাদের

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : ‘আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ভারত সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে একটি শব্দও বলেননি’। আজ বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ভারত সফরকালে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে দেশটির যথেষ্ট সরকার গুরুত্ব দিয়েছে। ডিনার পার্টিতে ভারতের অনেকেই বলেছেন, আমরা (আওয়ামী লীগ) আগামীতেও ক্ষমতায় আসবো। তবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মোদি একটি শব্দও বলেননি। এ বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কোনও কথা হয়নি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন হবে, অনেক দলই নির্বাচনে অংশ নেবে। ভারত কি আমাদের ক্ষমতায় বসাবে? তারা কি কখনও ক্ষমতায় বসিয়েছে? ২০০১ সালে আমরা হেরে গেছি। ভারত কি আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে? ভারত এটা করে না। আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ। কোনও বিদেশি শক্তি নয়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা ভারত সফরে গেছি। ভারত সরকার আমাদের অনেক গুরুত্ব দিয়েছে। নরেন্দ্র মোদি আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। প্রায় বত্রিশ মিনিট তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি কথা বলেছেন, আমাদের কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছেন। আমরা দেশের জন্য জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সফরে তিস্তাচুক্তি থেকে শুরু করে রোহিঙ্গা ইস্যু, কোনও কিছুই বাদ পড়েনি। দেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি, তিস্তাচুক্তি হলে জনগণের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।’

তারেক রহমানের পাসপোর্ট সম্পর্কে একপ্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির একেক নেতা একেক কথা বলছেন। খাদের কিনারে এসে লাফালাফি করছেন। এখন বলছেন, তারেক রহমান রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। এতদিন স্বীকার করেননি। ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দেরে। বিএনপিকে আগে বলেছি প্যাথোলজিক্যাল লায়ার, এখন বলছি পূর্ণ মিথ্যাবাদী।’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক মন্তব্যের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ফখরুল কি চিকিৎসক? চিকিৎসকরা বলুক। কিভাবে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনিত হয়েছে? কদিন আগে আমরা তাকে স্বাভাবিক দেখেছি। দৃশ্যত কোনও অবনতি দেখিনি। ভেতরে যদি কোনও সমস্যা হয়ে থোকে, তবে মেডিক্যাল বোর্ড দেখে বলুক। সরকার অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারণায় অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যে এলাকার নির্বাচন, সে এলাকার যারা ঢাকায় রয়েছেন, কেবল তারাই নির্বাচনি এলাকায় যাবেন। অযথা ভিড় বাড়িয়ে লাভ নেই। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণকে বিরক্ত করবেন না।

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

টানা সাত দিন ছুটিতে দেশ ?

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: কাল ২৭ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত নয় দিনের মধ্যে সাত দিনই ছুটি। ২৭ ও ২৮ এপ্রিল শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ২৯ এপ্রিল রোববার আছে বুদ্ধপূর্ণিমার সরকারি ছুটি। ১ মে মঙ্গলবার মহান মে দিবস। পরদিন ২ মে বুধবার রয়েছে শবে বরাতের ছুটি।

কেবল ৩০ এপ্রিল ও ৩ মে খোলা থাকবে অফিস-আদালত। এই দুদিন ছুটি পাওয়া গেলেই নয় দিনের লম্বা ছুটি। আজ বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবসের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় নগরগুলো হয়ে যাবে বেশ ফাঁকা। কেউ হয়তো নাড়ির টান অনুভব করে ফিরবেন আপন ঠিকানায়। কেউবা বেড়াতে যাবেন দূরে।

ভ্রমণপিপাসু মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ কিছুটা বৈশাখ মাসের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ আবহাওয়া। কারণ, প্রায় সপ্তাহ দু-এক ধরে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই আকাশ থেকে জমছে কালো মেঘ। বইছে কালবৈশাখী। কোনো কোনো দিন সকাল কিংবা মধ্যরাতে লাগছে কালবৈশাখীর ঝাপটা। এর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি আর বজ্রপাত তো আছেই। আসছে কয়েক দিন প্রকৃতি এমন আচরণ করবেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। তবে মে মাসের প্রথম দিকে আসতে পারে দাবদাহ।

লোক দেখানো নির্বাচন জনগণ মানবে না: ড. কামাল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, শুধুমাত্র ক্ষমতায় থাকা কিংবা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য লোক দেখানো সংসদ নির্বাচন নয়, জনগণ যেনো শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে সেরকম নির্বাচন জনগণ দেখতে চায়। লোক দেখানো কোনো নির্বাচন হলে জনগণ তা মানবে না।

বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আজ বৃহস্পতিবার গণফোরামের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন একথা বলেন।

স্থায়ী কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, শান্তিপদ ঘোষ, জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ.ও.ম শফিকউল্লাহ, মোসতাক আহমেদ, আইয়ুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, রওশন ইয়াজদানী, নৃপেন ঘোষ, আব্দুল হাসিব চৌধুরী, খান সিদ্দিকুর রহমান, সাইদুর রহমান, বিলকিছ বানু প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন আরো বলেন, ৫ জানুয়ারির মতো ভবিষ্যতে নির্বাচন হলে জনগণ গণতন্ত্র ও নির্বাচনের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলবে। ৫ জানুয়ারির মতো ভবিষ্যতে নির্বাচন হলে তাতে লাভবান হবে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি।

তিনি বলেন, ঘুষ-দুর্নীতি-সন্ত্রাস, দলীয়করণ, গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা চলছে এবং তা রাষ্ট্রযন্ত্র কাঠামোর মূলে আঘাত হানছে। এই পরিস্থিতি চলতে দেয়া যায় না। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সুষ্ঠু নির্বাচনের অধিকার অর্জন করতে হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অধিকার প্রশ্নে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রশ্নে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক ২০১৮’-এর প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে।
১৮০ দেশের ওই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম। গত বছর বাংলাদেশ একই অবস্থানে থাকলেও নেতিবাচক সূচকে পরিস্থিতি আগের চাইতে খারাপ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবারের নেতিবাচক সূচক বেড়েছে দশমিক দুই-ছয় শতাংশ।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সাংবাদিক ও ব্লগারদের ওপর অব্যাহত হামলা মামলাকে বাকস্বাধীনতার পথে অন্যতম বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিচারের আওতায় আনা, বিশেষ করে যেসব সাংবাদিক ও ব্লগার সেন্সরশিপের বিরোধিতা করে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এমনকি মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকায় সেন্সরশিপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে জানায় সংস্থাটি।

তাদের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে অন্তত ২৫ জন সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ওপর সহিংসতা এবং এর পেছনে দায়ি ব্যক্তিরা সহজে রেহাই পাওয়ায় গণমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ বেড়েই চলছে বলে জানায় তারা।
এমন পরিস্থিতিতে সরকার গণমাধ্যম আইন সংশোধনের পরিবর্তে , চলতি বছর নতুন একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করেন। সেখানে ভিন্নমত দমনে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার তিনটি কারণ
আরএসএফ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ি যেসব কারণে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে সেগুলো হলো:
১. তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় সাংবাদিকদের বিচারের আওতায় আনা
২. সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ওপর অব্যাহত সহিংসতা
৩. সাংবাদিকদের ওপর হামলার পেছনে দায়ি ব্যক্তিরা সহজে রেহাই পেয়ে যায়

এ ব্যাপারে গণমাধ্যম বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক জানান, “যখন কোন দেশের সরকার কর্তৃত্বপরায়ন হয় তখন সেখানকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। বাংলাদেশে একের পর আইন প্রণয়ন করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ না ফেরা পর্যন্ত এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবেনা।”
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের ওই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভুটান, নেপাল, এবং আফগানিস্তান। ভারত রয়েছে ১৩৮ ও পাকিস্তান ১৩৯তম স্থানে। বাংলাদেশের চেয়ে ২৯ ধাপ এগিয়ে থাকা দেশটির অবস্থান এখন ১১৭তে।
এদিকে ট্রাম্পের শাসনামলে দ্বিতীয়বারের মতো পিছিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে এবার তাদের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৪৫ এ। সূচকে প্রথম ৫টি দেশ হলো, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, ও সুইজারল্যান্ড। তলানির ৫টি দেশ উত্তর কোরিয়া, ইরিত্রিয়া।
সূত্র: বিবিসি

পাসপোর্ট না থাকলেও বাংলাদেশের নাগরিকত্বে কোনো সমস্যা নেই :আইনমন্ত্রী

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : পাসপোর্ট না থাকলেও বাংলাদেশের নাগরিকত্বে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী জানান, তারেক রহমান বাংলাদেশের পাসপোর্ট জমা দিয়ে দিলেও তাঁকে ফেরত আনা যাবে। তিনি বলেন, ‘আমি যতটুকু জেনেছি, তিনি যুক্তরাজ্যে নিজের পাসপোর্ট জমা দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন। এটার অর্থ এই নয় যে তিনি বাংলাদেশে আর আসতে পারবেন না। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের যে সময়কাল ছিল, তখন তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। এটাই হলো মুখ্য বিষয়।’

সাংবাদিকরা আইনমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন, তারেক রহমান যদি বাংলাদেশের নাগরিক না-ই হন, তাহলে সরকার কীভাবে তাঁকে ফেরত আনার উদ্যোগ নেবে? জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘পাসপোর্ট না থাকলেও বাংলাদেশের নাগরিকত্বে কোনো সমস্যা নেই। পাসপোর্ট হলো কেবল একটি ট্রাভেল ডকুমেন্ট।’

এময় মন্ত্রী আরো বলেন, এই সরকার তারেক রহমানকে ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছে। তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তিনি চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন। এখন তিনি সেখানে পাসপোর্ট সারেন্ডার করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন। আশ্রয় দেওয়া-না দেওয়া সেটা যুক্তরাজ্যের বিষয়। যেহেতু বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের পরোয়ানা রয়েছে, সরকার এই পরোয়ানার আলোকে তাঁকে ফেরত আনতে আলাপ-আলোচনা করছে।

আনিসুল হক বলেন, তারেক রহমানের বক্তব্য ও ছবি প্রচারের ব্যাপারে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তার পরও যেসব প্রচারমাধ্যম তাঁর বক্তব্য ও ছবি প্রকাশ করছে, সেটা আদালত অবমাননার শামিল।

এ ছাড়া গতকাল বুধবার বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাসরুফকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি আসলে একটি বিব্রতকর ঘটনা। আমি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করব, কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলেই তার সত্যতা যাচাই-বাছাই না করে যেন তাকে গ্রেপ্তার করা না হয়। যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা উৎসাহী হয়ে গ্রেপ্তার করেন, তবে সেটা তাঁর নিজস্ব ব্যাপার। আর এর জন্য পুলিশ প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’ সরকার বিব্রত হয় এমন কোনো কাজ না করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পাসপোর্টের সঙ্গে নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই: ডিজি

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেছেন, পাসপোর্ট না থাকার সঙ্গে নাগরিকত্ব থাকা না-থাকার কোনো সম্পর্ক নেই; নাগরিকত্ব ত্যাগ করা আলাদা বিষয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাসপোর্ট নিয়ে আলোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তার এমন বক্তব্য আসে।
মহাপরিচালক বলেন, তারেক রহমানের হাতে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো পাসপোর্ট নেই। ট্র্যাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতেও তার কোনো বাধা নেই। তবে দণ্ডিত ও পলাতক আসামি হওয়ায় আপাতত নতুন কোনো পাসপোর্ট তিনি পাবেন না।
২০০৮ সালে সপরিবারে লন্ডন যাওয়ার পর আর ফেরেননি তারেক। সেখানে থাকা অবস্থায় বাংলাদেশের আদালতে দুটি মামলায় তার সাত ও দশ বছরের সাজার রায় হয়।

যে পাসপোর্ট নিয়ে তারেক লন্ডন গিয়েছিলেন, তার মেয়াদ ২০১৩ সালে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম গত ২৩ এপ্রিল বলেছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তার পাসপোর্ট যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে ‘সারেন্ডার’ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তারেক বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলেই তিনি মনে করেন।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৪ এপিল যে সংবাদ সম্মেলন করেন, সেখানে প্রথমবারের মত দলটি স্বীকার করে নেয় যে, তারেক তার পাসপোর্ট ব্রিটিশ হোম অফিসে জমা দিয়েছেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য। ফখরুলের দাবি, তারেক নাগরিকত্ব ত্যাগ করেননি।
ওই বিতর্কের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক জানতে চান, তারেক রহমান এখনও বাংলাদেশের নাগরিক কি না।
উত্তরে মহাপরিচালক বলেন, ‘নাগরিকত্বের সঙ্গে পাসপোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশে সবার কি পাসপোর্ট আছে? না থাকলে তারা কি নাগরিকত্ব হারিয়েছে? তা তো না। নাগরিকত্ব একটা আলাদা জিনিস। সে যদি নিজে থেকে বলে যে আমি নাগরিকত্ব সারেন্ডার করব, সেটা আলাদা কথা। বাট পাসপোর্টের সাথে এটা না।’
মহাপরিচালক বলেন, তারেক রহমান লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্র্যাভেল পাস নিয়ে তার মাধ্যমে দেশে আসতে পারেন। দেশে আসার পর তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে পারেন এবং তারপর নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন। নতুন আবেদন পেলে পাসপোর্ট অধিদপ্তর তখন নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

গাছে ঝুলে বিয়ের ছবি, ভাইরাল সোশাল মিডিয়ায়

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ডেস্ক: পছন্দমতো ছবি তুলতে একজন আলোকচিত্রী কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারেন, তা হয়তো ভারতের ভিষ্ণু হোয়াইট রাম্পকে না দেখলে কেউ বুঝতে পারবেন না।
ভিষ্ণু একজন ওয়েডিং ফটোগ্রাফার। বেশিরভাগ সময়ে তিনি বিয়ের ছবি তোলেন। আর সেক্ষেত্রে নিখুঁত ছবি তুলতে গিয়ে তিনি সবটুকু চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন।
এবার এক নবদম্পতির জীবনের বিশেষ দিনের কিছু মুহূর্তের ছবি তুলতে গিয়ে তাকে গাছে উঠে উল্টোভাবে ঝুলতে হয়েছে।
দম্পতিকে গাছের নিচে দাঁড় করিয়ে তিনি সোজা গাছের ওপরে ওঠে যান। এর পর দুটো পা গাছের ডালে পেঁচিয়ে নিচের দিকে মাথা দিয়ে বানরের মতো ঝুলে ছবি তোলেন তিনি।
তার উদ্দেশ্য ছিল অসাধারণ একটি অ্যাঙ্গেলে ওই দম্পতিকে একটি ফ্রেমের ভেতরে তুলে আনা।
ছবি তোলা শেষ হয়ে গেলে তিনি তার ক্যামেরা তুলে দেন বরের হাতে। তারপর একজন দক্ষ অ্যাক্রোব্যাটের মতো লাফ দিয়ে তিনি গাছ থেকে নেমে আসেন মাটিতে।
এই পুরো ঘটনাটি একটি ভিডিওতে ধরা পড়েছে এবং সেটি পোস্ট করা হয়েছে টুইটারে। তারপর সেটি ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। একজন মজা করে মন্তব্য করেছেন এভাবে- অপরাধের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে যার স্পাইডারম্যান হওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু বাবা-মায়ের চাপে শেষ পর্যন্ত হয়েছেন একজন ওয়েডিং ফটোগ্রাফার।
আরেকজন লিখেছেন- ওই দম্পতি হয়তো সেলফি স্টিক ঘৃণা করেন। আসলে তিনি একজন স্পাইডারম্যান। এই ছবির প্রতিক্রিয়ায় আরও অনেকেই ব্যতিক্রমী কিছু বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন।
এই অ্যাক্রোব্যাট ফটোগ্রাফার ভিষ্ণু দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। বিবিসিকে তিনি বলেন, ওই দম্পতি ১৫ এপ্রিল বিয়ে করেছেন কেরালার একটি গ্রামে।
ছবিটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে আমাকে লোকজন টিপ্পনি কাটবে ভেবে ভয়ে ছিলাম।
তিনি বলেন, আমি খুব নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভাগ্য ভালো যে সবাই এটি খুব পছন্দ করেছে। তারা আমার এই চেষ্টাকে উল্লেখ করছে ডেডিকেশন হিসেবে। আমি খুশি।
তখন জানা গেল ছবি তোলার জন্য তিনি যে এই প্রথম গাছে চড়েছেন তা নয়। এর আগেও তিনি বহুবার গাছে উঠেছেন সেরা শটটি তোলার জন্য।

এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন, দুই ব্যবসায়ীকে দুদকে তলব

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ঢাকা: সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকার পে-অর্ডার জমা দেয়ার অভিযোগে ব্যবসায়ী নিরঞ্জন সাহা ও মো. শাহজাহানকে ৬ মে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। কমিশন সূত্রে এতথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তদন্তের অংশ হিসেবে ওই দুই ব্যবসায়ীকে তলব করা হয়েছে। কিন্তু সংস্থাটির কেউ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দুদকের গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে, মোহাম্মদ শাহজাহান ও নিরঞ্জন সাহা নামের দুই ব্যবসায়ীকে তলব করে চিঠি পাঠিয়েছেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। ৬ মে সকাল নয়টায় তাঁদের দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ফারমার্স ব্যাংকে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন ওই ব্যবসায়ীরা। পরে ওই টাকা ‘রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির’ ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ওই ব্যক্তি হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।

ধসে পড়েছে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ডেস্ক: চীনা বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, একটি পাহাড়ের নীচে অবস্থিত উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র আংশিকভাবে ধসে পড়েছে এবং এ কারণে এটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে।
২০০৬ সাল থেকে ‘পুংগিয়ে-রি’ নামের ওই কেন্দ্রে ছয়টি পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়।
চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি- ইউএসটিসি’র পক্ষ থেকে কয়েক মাস অনুসন্ধানের পর উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র সম্পর্কে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান চীনা বিজ্ঞানীরা।
গত সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো পর কেন্দ্রটিতে ছয়টি ভূকম্পন হয়। এর ফলে পাহাড়ের অভ্যন্তরের একটি অংশ ধসে পড়েছে বলে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।
গত শনিবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন ঘোষণা করেন, তার দেশ সব ধরনের পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা স্থগিত করে দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের আগে এ অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন কিম।

উত্তর কোরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ‘ম্যানট্যাপস্যান’ পাহাড়ের নীচে টানেল খনন করে ‘পুংগিয়ে-রি’ পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগার বানানো হয়েছে। পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার জের ধরে ভূমকম্পনের ফলে সেখানে আর নতুন কোনো পরীক্ষা চালানো সম্ভব নয় বলে চীনা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।