স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ১১৬৬ টাকা

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল শুক্রবার (২০ জুলাই) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে দেশের বাজারে তা সমন্বয় করতে এ দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।

বিসিকের মহাব্যবস্থাপক এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন- বিসিকের একজন মহাব্যবস্থাপক এক সপ্তাহ ধরে ‘নিখোঁজ’ জানিয়ে থানায় জিডি করেছে তার পরিবার।
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, গত ৯ জুলাই সকালে শন্তিনগরের বাসা থেকে বের হন বিসিকের সম্প্রসারণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (সম্প্রসারণ) মো. শরীফুল ইসলাম ভূঞা। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, “এ বিষয়ে একটি অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। আমরা চেষ্টা করে দেখছি। পুলিশের সংশ্লিষ্ট সকল ইউনিটকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।”
দেড় মাস আগেও একবার নিখোঁজ হয়েছিলেন শরীফুল। পরে তাকে বরিশালে পাওয়া গিয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শরীফুলের স্ত্রী লায়লা জেসমিনও বিসিকের কর্মকর্তা। সাধারণত তারা একসঙ্গেই প্রতিদিন অফিসে যেতেন।

লায়লার ভাই আলী আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৯ জুলাই সকালে অফিস যাওয়া আগে পেটের সমস্যার কথা বলে বাসায় থেকে যান তার ভগ্নিপতি। স্ত্রীকে তিনি বলেন, ডাক্তার দেখিয়ে পরে অফিস যাবেন। লায়লা জেসমিন তখন একাই অফিস চলে চান।
কিন্তু শরীফুল আর অফিসে না যাওয়ায় তাকে ফোন করেন লায়লা। বারবার রিং বাজার পরও না ধরায় তার মনে সন্দেহ জাগে। তিনি বাসায় এসে দেখেন তার স্বামীর মোবাইল, মনিব্যাগ সব ঘরেই আছে; কিন্তু তিনি নেই।
আলী আহমেদ বলেন, পরে তারা ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে পরীক্ষা করে দেখেছেন। সেদিন বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শরীফুল ইসলামকে সাধারণ পোশাকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে।
“আমরা নানা জায়গায় খোঁজ করে দেখেছি, উনার কোনো খবর পাইনি। উনি ডায়াবেটিসের রোগী। প্রায় এক বছর আগে উনার বাবা মারা গেছেন। একমাত্র মেয়ে পড়ালেখা করতে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি কিছুটা মনমরা থাকতেন।”

আলী আহমেদ জানান, শরীফুল-লায়লা দম্পতির মেয়ে পড়ালেখা করেছেন বুয়েটে। তার স্বামীও বুয়েট থেকে পাস করেছেন। বিয়ের পরপরই তারা এমএস করতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।
শরীফুল গত রোজায় কাউকে কিছু না জানিয়ে একবার বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন জানিয়ে আলী আহমেদ বলেন, “পরদিন তাকে অসুস্থ অবস্থায় বরিশাল বাসস্ট্যান্ডে পায় পুলিশ। বিসিকের একজন কর্মকর্তা তাকে সেখানে চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।”
উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, “আরও একবার তার নিখোঁজ হওয়ার রেকর্ড যেহেতু আছে, এ বিষয়টি আমরা তদন্তের স্বার্থে রাখছি।”

ভল্ট থেকে সোনা চুরি: জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: ভল্ট থেকে সোনা উধাও নিয়ে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় জরুরি এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের সোনার চাকতি ও আংটি, তা হয়ে আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ছিল ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট। এরূপ সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণকারী ও দেশের রিজার্ভ সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সংবাদ সম্মেলন ডাকলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স-এর মহাব্যবস্থাপক জি এম. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনের ৫ম তলায় জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আরও বলা হয় ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড’ শীর্ষক শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন।

এদিকে আজ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। এতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের চাকতি ও আংটি, তা হয়ে আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ছিল ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

দৈবচয়ন ভিত্তিতে নির্বাচন করা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ পরীক্ষা করে বেশির ভাগের ক্ষেত্রে এ অনিয়ম ধরা পড়ে। প্রতিবেদনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড হয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। গত জানুয়ারিতে কমিটি শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর প্রতিবেদন জমা দেয়। গত ২৫ জানুয়ারি প্রতিবেদনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়। পরিদর্শন দল ভল্টে রাখা সোনার যাচাই-বাছাই শেষে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।

রিজার্ভ চুরির মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী তারিখ ২৯ আগস্ট ধার্য করেছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল।
মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিকী প্রতিবেদন নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।
২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়।
চুরি হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে ফিলিপাইনে চলে যায়। এ ঘটনায় মুদ্রা পাচার ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব ও বাজেট শাখার যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিদ্যুতের বকেয়া ৫ কোটি টাকা, চিঠি

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসের কাছে প্রায় ৫ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া রয়েছে। এই বকেয়া পাওনা পরিশোধের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এই চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, ৪ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শামসুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ৮ মে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন বকেয়া পাওনা পরিশোধের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি দেন। ওই চিঠি পাওয়ার পর গত ২১ মে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব আইনিন পারভিন স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চিঠিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন অফিসগুলোর কাছে গত ১৮ মার্চ পর্যন্ত ৪ কোটি ৮০ লাখ ৯০ হাজার ৫১৯ টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের উপবৃত্তি সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ২৩৫ টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিসগুলোর কাছে ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮২২ টাকা, সরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোর কাছে ১৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৫৬ টাকা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোর কাছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ৩০২ টাকা, সরকারি কলেজগুলোর কাছে ৪৬ লাখ ৫৭ হাজার ৬১৫ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে ৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪৮ হাজার ২ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলোর কাছে ২৯ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৫ টাকা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অন্যান্য অফিসগুলোর কাছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪২ টাকা বকেয়া রয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বকেয়া পরিশোধে বারবার অনুরোধ করার পরেও পরিশোধ করা হচ্ছে না।

‘মিয়ানমারকে বিশ্বাস করা যায় না, দে আর অল রাবিশ’

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারা একেক সময় একেক কথা বলে। তাদের ওপর বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। তাদের কোনো কথা বিশ্বাস করা যায় না। দে আর অল রাবিশ। আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় খুঁজতে গতকাল শনিবার রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। তাঁরা দুজনই আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে আজ সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক করেন।

দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সফর করেছেন। তাঁদের সঙ্গে আমাদের দফায় দফায় কথা হয়েছে, বৈঠক হয়েছে, সবগুলো বিষয় রোহিঙ্গাদের কেন্দ্র করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা মানবিক কারণে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। এটা জনবহুল বাংলাদেশের জন্য একটা বড় বোঝা। আমরা সফররত নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ভেতর সেফ জোন তৈরি করে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখার জন্য। এটি আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া সম্ভব না। আমরা তাদের সহায়তা চেয়েছি।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা একটি জাতিকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। আমরা বুঝতে পারছি, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এখন সচেতন হয়েছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য দিয়ে আমরা গত এক বছর রোহিঙ্গাদের সহায়তা করেছি। আগামী এক বছরও আন্তর্জাতিক সাহায্য দিয়ে সহায়তা করা সম্ভব হবে। বাজেটে আমরা রোহিঙ্গাদের জন্য ১০০ কোটি টাকা রেখেছি।

আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের যেভাবে সহযোগিতা করছে তাতে দেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থান দীর্ঘমেয়াদি হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সাহায্য সহযোগিতায় ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের কিছু পুনর্বাসন করা হচ্ছে। তবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে সেফ জোন তৈরি করে তাদের মিয়ানমার ফেরত পাঠানো। ১৯৯২ সাল থেকে এরা আসছে। তাদের ফেরতও পাঠানো হয়েছে। এবারই বেশি সংখ্যায় এসেছে এবং অনেক দিন ধরে আসছে।

১ জুলাই থেকে এমপিওতে বরাদ্দ: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা : বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির বিষয়ে ১ জুলাই থেকে বরাদ্দ শুরু হবে বলে সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে বক্তব্য রাখাকালে এ কথা জানান মুহিত।

চলতি বছরের শুরু থেকেই এমপিওর বাইরে থাকা শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন শুরু করেন। আর জানুয়ারি মাসে রাজধানীতে অবস্থান এবং পরে অনশন শুরু করেন তারা। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়।

কিন্তু গত ৭ জুলাই প্রস্তাবিত বাজেটে এমপিওভুক্তির বিষয়ে বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে এমপিওর বাইরে থেকে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীরা আবার কর্মসূচি শুরু করেন। যদিও শিক্ষামন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, বাজেটে বরাদ্দ না থাকলেও এমপিওভুক্তিতে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু আন্দোলনকারীরা এতে আস্থা পাচ্ছিলেন না।

অবশেষে অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করলেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ১ জুলাই থেকে এমপিওখাতে বরাদ্দ দেয়া শুরু হবে।’ এমপিও ব্যবস্থাটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘এজন্য প্রত্যেক এলাকায়ে কিছু বরাদ্দ দেয়া হবে।’

জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়া এবং ছাত্রদের ভিড় কমানোর জন্য নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কথাও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘শুধু শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি করলে চলবে না। এগুলোও করতে হবে।’ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় কম স্বীকার করে ভবিষ্যতে এই দুই খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর আশ্বাসও দেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ইচ্ছা থাকলেও এখন সামর্থের অভাবে এটা তিনি করতে পারছেন না।

গাজীপুরে সব ব্যাংক বন্ধ কাল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে আগামী কাল মঙ্গলবার ওই এলাকার সব বাণিজ্যিক ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে।
সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, গাজীপুরে মঙ্গলবার সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে। এর আগে ভোটের দিন গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার সব সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কল-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ফলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় অবস্থিত অফসিলি ব্যাংকগুলোর আঞ্চলিক কার্যালয়সহ সব শাখা মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে।

প্রবাসী আয়ে ভ্যাট-ট্যাক্স নেই: এনবিআর

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : প্রবাসীরা আড়াই লাখ টাকার বেশি আয় করলে কর দিতে হবে বলে ফেসবুক ঘুরে বেড়ানো পোস্টকে অপপ্রচার জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। তাদের ধারণা, বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানোকে নিরুৎসাহিত করে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাতে এই চক্রান্ত করা হয়েছে।

প্রবাসীরা বৈধ পন্থার মতো অবৈধ পন্থাতেও বিদেশ থেকে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠান। বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যোগ হয়। কিন্তু হুন্ডির মাধ্যমে পাঠালে সে অর্থ রিজার্ভে যোগ হয় না। কিন্তু হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা রয়েছে, অবশ্য তা ঠেকানোর চেষ্টা করছে সরকার।

এই অবস্থায় প্রবাসীদের মধ্যে করারোপের গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রেক্ষিতে বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি স্পষ্ট করে এনবিআর। এর আগে ফেসবুকে একই বিষয় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

গত ৭ জুন আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো-কমানোর বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। অর্থাৎ আগের মতোই আয় আড়াই লাখ টাকার বেশি হলেই তাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

অবশ্য চাকরিজীবীদের জন্য আরও কিছু ছাড় আছে। যেমন, বেতনে পাওয়া বাড়িভাড়া এক লাখ ৮০ হাজার টাকা বা মূল বেতনের ৫০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম, সেটি করের আওতামুক্ত। এ ছাড়া চিকিৎসা ভাতা ৬০ হাজার এবং পরিবহন ভাতা ৩৬ হাজারেরও কোনো আয়কর দিতে হয় না। এর বাইরেও আয়ের একটি অংশ বিনিয়োগ করলে করে ছাড়া পাওয়া যায়।

তবে বাংলাদেশ প্রবাসী আয়কে উৎসাহ দিতে বরাবর একে করমুক্ত রাখে। এই ধারাবাহিকতা আগামী অর্থবছরেও চালু থাকবে।

তবে ফেসবুকে গুজব রটেছে যে, দেশের মতো প্রবাসেও আড়াই লাখ টাকার বেশি আয় করলে এবং তা দেশে পাঠালে সেটি করের আওতায় আসবে।

এই গুজবটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর এটি বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে পাঠানোতে প্রতিবন্ধক হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এনবিআর গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশ থেকে প্রেরিত রেমিটেন্সের উপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপিত হয়েছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।’

এই গুজব ছড়ানোতে চক্রান্ত দেখছে এনবিআর। তারা বলেছে, ‘দেশের বৈধ রেমিটেন্স প্রবাহ বন্ধ করে হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের অপপ্রয়াস হিসাবে এ প্রচারণা চালানো হতে পারে।’

জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, মূল্য সংযোজন কর আরোপিত হয় পণ্য বা সেবা সরবরাহের উপর। প্রবাসীরা দেশের বাইরে যে সেবা দিয়ে থাকেন তার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা আহরিত হয়। তাদের সব কাজ ভ্যাট আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৩ এর উপ-ধারা ২(ক) মোতাবেক সেবা রপ্তানি হিসাবে বিবেচিত। সুতরাং এ রপ্তানি কার্যক্রম ভ্যাটের আওতা বহির্ভূত।

‘অর্থাৎ রেমিটেন্স সীমা নির্বিশেষে এ খাতের উপর কোন ভ্যাট প্রযোজ্য নয়। তাই প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে যে কোন পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারেন’- বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এনবিআর।

হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে তা জাতীয় অর্থনীতিতে কোনো ভূমিকা রাখ পারে না জানিয়ে হুন্ডি পরিহার করতেও সবাইকে অনুরোধ করেছে এনবিআর। সংস্থাটি হুন্ডি বা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের বিষয়ে সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

২৮ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহালের ঘোষণা দেয়ায় বাজারে চালের দাম চড়া

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : দেশের আমদানি করা চালে ২৮ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহালের ঘোষণা দেয়ার সাথে সাথেই চালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। কিছু চালের দাম এক কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা করে বেড়ে গেছে।
বাজারে গিয়ে দেখা গেলো মিল মালিকরা চালের দাম বস্তা-প্রতি দেড়শ টাকার মতো বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
গত বছর বন্যায় ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সাময়িকভাবে আমদানি শুল্ক তুলে দেয়া হয়েছিল। বাজারে এখন যে চাল রয়েছে তা শুল্ক পুনর্বহালের ঘোষণা দেয়ার আগে বিনা শুল্কে আনা চাল। তাই এসব চালের দাম বাড়ার কোন যুক্তি নেই বলে জানাচ্ছেন স্বয়ং আড়তদারেরা।
দেশের সবচাইতে বড় পাইকারি বাজারগুলোর একটি ঢাকার কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা গেলো ক্রেতা-বিহীন চালের আড়ত। আড়তদারেরা কেউ ঘুমাচ্ছেন, কেউ বা আবার চুপচাপ বসে আছেন।
দাম সম্পর্কে জানতে গিয়ে দেখা গেলো ২৮ নম্বর চাল, পাইজাম, ভারতীয় নাজিরশাইল, কালিজিরা চাল, এগুলোর দাম কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা করে বেড়েছে।
আড়তদার মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল তালুকদার বলছেন, “মিলারদের বস্তা-প্রতি চালের দাম বাড়ানোর প্রভাব এটি। শুল্ক বসাবে এইটা কেবল ঘোষণা হইছে। এখনো সংসদে পাশ হয় নাই। তার আগেই মিলাররা বস্তা-প্রতি এক থেকে দেড়শ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছে।”
আড়তদারেরা পূর্বাভাস দিয়ে বলছেন, সামনে চালের দাম আরো বাড়বে। বিশেষ করে ঈদের পরে। কিন্তু চালের দাম বাড়লে যারা সবচাইতে বেশি ভুক্তভোগী হন সেই দরিদ্র মানুষের উপর এর প্রভাব এখনই পড়ছে।
ঢাকার সবচাইতে বড় বস্তি কড়াইলে থাকেন গৃহকর্মী সিমা আক্তার। তিনি বলছেন, “সবকিছুর দাম বাড়ছেই। যে চালের দাম ছিল চল্লিশ টাকা কেজি তার দাম যদি হঠাৎ পঞ্চাশ টাকা হয়ে যায় তাতে কি আমাদের কষ্ট হয় না?”
বিক্রেতাদের মতো বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী মোঃ কামরুল ইসলামও বলছেন, এই দাম বাড়ার কোন যুক্তি তিনি দেখছেন না।
তিনি বলছেন, “বরাবরই চাল আমদানির উপর ২৮ শতাংশ শুল্ক ছিল। গত বছর হাওড় অঞ্চলে অকাল বন্যার কারণে আমাদের ফসল হানি হয়েছিলো। তখন আমাদের বাইরে থেকে চাল আমদানির প্রয়োজন ছিল। শুল্ক উঠিয়ে দেয়ায় বাইরের থেকে চাল এসে বাজার স্থিতিশীল হয়েছে।”
তিনি বলছেন, এই বছর দেশে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই আর চাল আমদানির প্রয়োজন নেই।
“দেশে চালের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। কৃষকদের ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা দরকার। তাই আবার শুল্ক আরোপ করা হয়েছ,” বলেন মি. ইসলাম।
কিন্তু মিল মালিকরা চালের দাম কেন বাড়াচ্ছেন? সেটি বুঝতে কথা বলেছিলাম বাংলাদেশে মিল মালিকদের সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেএম লায়েক আলির সাথে। তিনি সোজা ভাষায় বললেন, “শুল্ক পুনর্বহাল করার ফলে ভারত থেকে আর নতুন চাল আসছে না। না আসার কারণে বাঙালীরা আমরা যখনই একটু হাওয়া পাই, যেমন খুচরা বলেন বা পাইকারি, কৃষক বলেন বা মিলার সর্বত্রই একটা ভাব থাকে যে এটা বেড়ে যাবে এবং সেই বেড়ে যাওয়াটা শুরু হয়েছে।”
কিন্তু যে চাল শুল্ক মুক্ত সুবিধার সময় আনা হয়েছে সেই চালের দাম কেন বাড়বে? এই প্রশ্নে তিনি বললেন, “আগের আর পরের বিষয়টি কিন্তু ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কখনো থাকে না। দামটা যখন কমে যায় তখন কিন্তু সবাইকে আগের জিনিস কম দামেই বিক্রি করতে হয়।”
তিনি আরো বলছেন, দেশি ধান এখনো পুরোটা কাটা শেষ হয়নি। যতটুকু উঠেছে তাতে মণ প্রতি সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৬০ টাকায় ধান বিক্রি সম্পন্ন হলে সামনে চালের দাম আরো বাড়তে পারে।
তার মতে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ভারত থেকে চাল আনলেই খুচরা বাজারে দামের সামঞ্জস্য হবে। কিন্তু ধানের দাম কমানো অথবা আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিলে শেষ পর্যন্ত তার ফল কৃষকের উপরে কতটা পড়বে সেই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।