পুলিশের ২৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ঢাকা : বাংলাদেশ পুলিশের ২৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত এক আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে আদেশে বলা হয়। বিসিএস(পুলিশ) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদের জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

ডিগ্রিধারী ডাক্তার ছাড়া সিজারিয়ান করলে শাস্তির সুপারিশ

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ঢাকা : দেশে ভুয়া ডাক্তার ও ভুইঁফোড় ক্লিনিকে সংখ্যা বেড়ে যাওয়া ও ডাক্তার ছাড়াই সিজারিয়ান করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এছাড়া দুই বছরেও গ্র্যাজুয়েট অকুপেশনাল থেরাপিস্ট পদ সৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কমিটি। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিবন্ধিত ও ডিগ্রিধারী ডাক্তার ছাড়া অন্য কেউ সিজারিয়ান করলে তাদের গ্রেফতারের পাশাপাশি শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

সংসদ ভবনে রবিবার অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২১তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, মো. আব্দুল ওদুদ, সেলিনা বেগম এমপি বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে কমিটির সভাপতি সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার ভুয়া ডাক্তারের বিচার নিশ্চিত করাসহ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ডাক্তার ছাড়া সিজারিয়ান বন্ধে কী করা হয়েছে জানতে চান। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভুয়া ডাক্তার ও ভুইঁফোড় ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া নারীদের ডেলিভারির ক্ষেত্রে সিজারিয়ান কমিয়ে আনতে নানা কর্মসূচি চলমান আছে।

সংসদ সচিবালয় জানায়, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, কমিটির সুপারিশের আলোকে অটিজম ও স্নায়ু রোগীদের চিকিৎসার্থে গ্র্যাজুয়েট অকুপেশনাল থেরাপিস্ট পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য আটকে আছে। কমিটি এসময় মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় মিটিং করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে। এছাড়া বৈঠকে মে মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) গোপালগঞ্জ প্রকল্পটি উদ্বোধন করার ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফটো সাংবাদিক একরামুল হোসেন পারভেজ অসুস্থ

 

নিজস্ব প্রতিবদেন :  দৈনিক কালবেলা পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সদস্য একরামুল হোসেন পারভেজ পাটোয়ারী (৩৬) দির্ঘ্যদিন যাবৎ পাইলস,লিভার,ও পোস্ট্রেড আক্রান্ত হয়ে প্রায়  দুই  বছর যাবৎ রাজধানী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করে কোন প্র্রতিকার না পওয়ায় বর্তমানে কলকাতা বিরালা সি এমরাই হাসপাতালে চিকিৎসা যাবেন। অসুস্ত পারভেজ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করছেন ।

 

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় ঢাকা চতুর্থ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর মধ্যে ঢাকা অন্যতম। বাতাসের গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত সূচকে এ কথা বলা হয়েছে। ওই সূচকটি প্রস্তুত করেছে ইউএস এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন এজেন্সি। ওই তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হলো বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর মধ্যে চতুর্থ। সূচক মূল্যায়ন যার ১৯৫। আর সবচেয়ে বেশি দূষিত নগরী হলো নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু।
এর মূল্যায়ন ২০৮। রোববার এ সূচক প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওই এজেন্সি। সূচক অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণ ঘণ্টায় ঘণ্টায় এমনকি দিন ভিত্তিতেও পরিবর্তন হয়।
উল্লেখ্য, এ বছরের ফেব্র“য়ারিতে একই সূচকে ঢাকা ছিল সবচেয়ে দূষিত শহর। তখন বাংলাদেশের মূল্যায়ন ছিল ৩৩৯। আর এখানকার বাতাসকে বলা হয়েছিল ‘ভেরি আনহেলদি’ বা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি বাড়ানো বুঝাতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে এ সূচক প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো শহর যদি এই সূচকে ৩০০ অতিক্রম করে তাহলে সেখানকার বাতাসের গুণগত মানকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে সূচকে কোনো শহর ৫০-এর নিচে স্কোর করলে তাকে দেখা হয় স্বাস্থ্য উপযোগী শহর অথবা সেখানকার বাতাস স্বাস্থ্যকর। ‘আনহেলদি’ বা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোরকে।
সূচকে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাতাসের গুণগত যে মান বিরাজ করছে তাতে প্রত্যেকটি মানুষ বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে যেসব মানুষ বায়ুদূষণে স্পর্শকাতর তারা পড়তে পারেন ভয়াবহ দুর্ভোগে। স্ট্যাটিসটিকস অব বাংলাদেশজ ডিপার্টমেন্ট অব এনভায়রনমেন্ট দেখাচ্ছে যে, বাতাসের গুণগত মানের সূচক ঢাকায় গত ১১ মার্চ ছিল ৫০১ স্কোরে। একই দিনে এই স্কোর গাজীপুরে ছিল ৩৩৮ এবং নারায়ণগঞ্জে ছিল ৩০৮। দেশে সব শহরের মধ্যে মার্চে সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণ রেকর্ড করা হয় নারায়ণগঞ্জে। সেই স্কোর ছিল ৫৩৮। চিকিৎসা বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, শুষ্ক মৌসুমে বাতাসে সাধারণত ধুলোবালির পরিমাণ অন্য সময়ের তুলনায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পায়। নির্মাণপ্রতিষ্ঠান থেকে ছড়িয়ে পড়া ধুলোবালি, ময়লায় এই পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে তোলে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এসব ধুলোবালি শরীরে প্রবেশ করে শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। দেখা দিতে পারে ফুসফুসের নানা রকম রোগ। দেখা দিতে পারে ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।
স্ট্যাটিসটিকস অব বাংলাদেশজ ডিপার্টমেন্ট অব এনভায়রনমেন্টের মতে, বর্ষা মৌসুমে বায়ু দূষণটা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। উল্লেখ্য, গুণগত মানের দিক থেকে ০-৫০ পর্যন্ত স্কোরকে ভালো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোরকে মডারেট বা মাঝারি মানের ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত স্কোরকে সতর্কতামূলক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৫১-২০০ পর্যন্ত স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বা আনহেলদি ধরা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত স্কোরকে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। আর ৩০১ থেকে ৫০০ পর্যন্ত স্কোরকে ধরা হয় চরমভাবাপন্ন অস্বাস্থ্যকর হিসেবে।

অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্মসচিব পদে রদবদল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: আজ রোববার প্রশাসনে অতিরিক্ত ও যুগ্মসচিব পদে বেশকিছু রদবদল হয়েছে। বিসিক’র পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইফতেখারুল ইসলাম খান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের পরিচালক বেগম সীমা সাহা বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রওনক মাহমুদ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক, বিসিকের পরিচালক মোহাঃ রেজাউল করিম বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সদস্য, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) উৎপল কুমার দাস এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. মোস্তাক হাসান এনডিসি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
এদিকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লি. এর নির্বাহি পরিচালক, উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার (যুগ্মসচিব) মো. গোলাম মওলা বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব রঞ্জিত কুমার দাস মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৫ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মো. মাহবুবুল ইসলাম বিসিআইসি’র পরিচালক, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিপিসির পরিচালক, রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে বদলির আদেশাধীন মো. শাহ আলম সরদার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক দীল মোহাম্মদ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের পরিচালক, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেগম সেলিনা সুলতানা ট্যারিফ কমিশনের সদস্য, বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম বিপিসির পরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ডা. মো. আব্দুল করিম বৃহত্তর ফরিদপুরের চরাঞ্চলে গবাদি পশুর জাত উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. শাহ মোহাম্মদ সানাউল হক জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত, ভূমি মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত এহসানুল পারভেজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে সংযুক্ত, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের যুগ্মসচিব পদে বদলির আদেশাধীন মো. নায়েব আলী ম-ল পানি সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মোহাম্মদ মহসীন চৌধুরী জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলামকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।

দ. কোরিয়ায় হাসপাতালে আগুনে পুড়ে নিহত ৩৩, আহত ৭০


নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: দক্ষিণকোরিয়ার একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ৩১ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭০জন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর।

দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মিরং এলাকায় অবিস্থত সিজং হাসপাতালটিতে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগুন লাগে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

স্থনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মিরংয়ে একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৩ জন মারা গেছে এবং আরো ৭০ জন আহত হয়েছে। ওই বিভাগে প্রধানত বয়স্ক লোকদের পরিচর্যা করা হয়ে থাকে। তবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। হাসপাতাল এবং এর পাশের একটি নার্সিং হোমের ভেতরে প্রায় ২০০ রোগী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিরং ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান চোই ম্যান-ওউ বলেন, সিজং হাসপাতালের প্রথম তলায় জরুরি বিভাগের রুমে আগুন লাগে । তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। সূত্র: সিএনএন ও বিবিসি।

সিনেট নির্বাচনে আরও সিরিয়াস হোন: মির্জা ফখরুল


ঢাকা: আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট রেজিষ্টার্ড গ্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদ সিরিয়াসভাবে নিচ্ছে না এমন অভিযোগ তুলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমি একজন আজীবন সদস্য। আমার বাসায় ৮টি ভোট। আমার কাছে এখনো চিঠি আসে নাই। আপনারা নির্বাচন সিরিয়াসলি করছেন না। নির্বাচন নিয়ে আরও সিরিয়াস হওয়ার প্রয়োজন ছিল।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) আয়োজিত জাতীয়তাবাদী পরিষদের প্রার্থী পরিচিতি সভায় এমন অভিযোগ তোলেন বিএনপি মহাসচিব।
সিনেট নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে সিনেট নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তবে যে রাষ্ট্রে গণতন্ত্র নেই, সেখানে সিনেট নির্বাচন কতোখানি সুষ্ঠু হবে তাতে সন্দেহ আছে। গতবারের অভিজ্ঞতা মনে আছে, প্রার্থীদের কেন্দ্রে যেতে দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, আগামীকাল গণতন্ত্র হত্যা দিবস। প্রশাসন থেকে আমাদের কোন ধরনের কার্যকলাপ করার অনুমতি দেয়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগকে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দিয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে জাতীয়তাবাদী পরিষদের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সিনেট নির্বাচনে লড়বেন- ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার (ব্যালট-২), ড. উম্মে কুলসুম রওজাতুল রোম্মান (ব্যালট-৭), এ কে এম ফজলুল হক মিলন (ব্যালট-১১), এ টি এম আব্দুল বারী (ব্যালট-১৩), অধ্যাপক এ বি ফজলুর করিম (ব্যালট-১৪), এ বি এম মোশারফ হোসেন (ব্যালট-১৬), ডা. এস এম রকিবুল ইসলাম (ব্যালট-২৩), কে এম আমিরুজ্জামান (ব্যালট-২৫), ড. চৌধুরী মাহামুদ হাসান (ব্যালট-২৭), ড. জিন্নাতুন নেছা তাদমিদা বেগম (ব্যালট-২৯), অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার (ব্যালট-৩১), ডা. প্রবাদ চন্দ্র বিশ্বাস (ব্যালট-৩৫), ডা. ফরহাদ হালিম (ব্যালট-৩৬), ড. মুহাম্মদ আব্দুর রব (ব্যালট-৪৩), ড. মুহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানি (ব্যালট-৪৬), ডা. মুহাম্মদ রফিকুল কবির (ব্যালট-৪৮), মোহাম্মদ আসরাফুল হক (ব্যালট-৫৭), এডভোকেট মোহাম্মদ মাসুদ আহমেদ তালুকদার (ব্যালট-৬১), ডা. মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন(ব্যালট-৬২), ডা. মুহাম্মদ সরিফুল ইসলাম (ব্যালট-৬৫), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (ব্যালট-৬৬), অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া (ব্যালট-৬৭), মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ব্যালট-৬৮), শওকত মাহমুদ (ব্যালট-৭৩) ও ড. সদরুল আমিন (ব্যালট-৭৭)।
বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, শওকত মাহামুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

শাহাদুজ্জামানের প্রিয় জীবনানন্দ দাশ, ছেলের প্যাট্রিক নেস

শাহাদুজ্জামান, কথাসাহিত্যিক। তাঁর বড় ছেলে নিয়র জামান, পড়াশোনা করছেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেন্টে। আজ থাকছে বাবা-ছেলের পছন্দ-অপছন্দের কথা

১. প্রিয় খাবার কোনগুলো?

শাহাদুজ্জামান: খিচুড়ি, বেগুন ভাজা আর থাই খাবার।

ছেলে: নাচোজ, পাস্তা, আলুর দম।

২. প্রিয় রং?

শাহাদুজ্জামান: বাদামি।

ছেলে: লাল।

৩. যে জায়গায় বারবার বেড়াতে যেতে চাই…

শাহাদুজ্জামান: ভিয়েতনামের রাজধানী হানয় আর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম।

ছেলে: ক্রোয়েশিয়া আর স্পেনের মাদ্রিদ।

৪. প্রিয় লেখক যাঁরা…

শাহাদুজ্জামান: জীবনানন্দ দাশ, গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, দস্তয়ভস্কি।

ছেলে: প্যাট্রিক নেস, স্টিভেন চাবোস্কি, জন গ্রিন।

৫. নিজেকে বদলে দিয়েছে যে বই…

শাহাদুজ্জামান: কোনো একটা বিশেষ বই তো নেই যা নিজেকে বদলে দিয়েছে। কাজান যাকিসের লেটার টু এল গ্রেকো বা দীপেশ চট্টোপাধ্যায়ের প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ-এর কথা হয়তো বলা যায়।

ছেলে: ডেনিয়েল কিইজের ফ্লাওয়ারস ফর আলগারনন।

৬. যে সিনেমা মুগ্ধ করে বারবার…

শাহাদুজ্জামান: কোনো একটা ছবির নাম বলা মুশকিল। ঝাং ইয়ামুর রেইজ দ্য রেড ল্যানটার্ন বা আসগার ফারাদির সেপারেশন-এর নাম বলা যায়।

ছেলে: সিটি অব গড।

৭. প্রিয় গায়ক-গায়িকা কারা?

শাহাদুজ্জামান: মান্না দে, কিশোর কুমার, শচীন দেববর্মন।

ছেলে: ট্রেভিস স্কট, লিল উজিভারট।

৮. পরস্পরের কোন বিষয়টি ভালো লাগে?

শাহাদুজ্জামান: নিয়রের চমৎকার সেন্স অব হিউমার।

ছেলে: যেকোনো ব্যাপারে বাবার অন্যকে সহযোগিতা করার মনোভাব।

৯. পরস্পরের যেদিকটি বদলালে ভালো লাগবে?

শাহাদুজ্জামান: নিয়র ছুটিতে বাড়িতে এসে লম্বা সময় ঘুমায়। সে সময়টায় ছোট ভাইকে সঙ্গ দিলে খুশি হব।

ছেলে: আমাকে খুশি করার জন্য বাবার বদলানোর দরকার কী? বদল তো নিজের ভেতরের ব্যাপার।

সাক্ষাৎকার: আলতাফ শাহনেওয়াজ

জাতীয় সংগীত গাইতে হবে নিয়ম মেনে

‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…’—আমাদের জাতীয় সংগীত। আমাদের এক অস্তিত্বের নাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ২৫ লাইনের এই গানের ১০ লাইনকে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংগীত গাওয়ার কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। দেশে জাতীয় সংগীত বিধিমালা রয়েছে। ১৯৭৮ সালে এ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এ বিধিমালা মেনেই জাতীয় সংগীত গাইতে হবে।

জাতীয় সংগীত গাওয়ার নিয়ম

জাতীয় সংগীতের পুরোটা সব অনুষ্ঠানে গাওয়ার নিয়ম নেই। বিভিন্ন জাতীয় দিবস, যেমন একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের শুরুতে ও শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ সংগীত বাজাতে হবে। তবে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে দুই লাইন শুরুতে বাজানোর নিয়ম রয়েছে। সব বিদ্যালয়ের দিনের কার্যক্রম জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু করতে হবে। বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের আগে শুধু চার লাইন গাইলে হবে না। গাইতে হবে পুরো জাতীয় সংগীত। রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে সংসদ ভবনে প্রবেশ করার শুরুতে ও শেষে পূর্ণ জাতীয় সংগীত বাজাতে হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ যখন জাতির উদ্দেশে সম্প্রচার করা হয়, তখন সম্প্রচারের শুরু ও শেষে দুই লাইন বাজাতে হবে। রাষ্ট্রপতি যখন কোনো প্যারেডে সালাম গ্রহণ করেন, তখনো দুই লাইন বাজাতে হয়। তা ছাড়া রাষ্ট্রপতি যদি কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হন বা কোনো অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অথবা প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন, তাহলে এসব ক্ষেত্রে তাঁদের আগমন ও প্রস্থানের সময় দুই লাইন জাতীয় সংগীত বাজানোর নিয়ম রয়েছে। বিদেশি কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান তাঁর রাষ্ট্রীয় বা সরকারি সফরে বাংলাদেশে এলে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করার আগে জাতীয় সংগীতের প্রথম দুই লাইন বাজাতে হবে। এ ছাড়া কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান, রাজপরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার বা সমমর্যাদার কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি যখন রাষ্ট্রপতির সালাম গ্রহণ করেন, তখন দুই লাইন বাজাতে হবে। সিনেমা হলে সিনেমা প্রদর্শনের আগে দুই লাইন বাজাতে হবে। রেডিও এবং টেলিভিশনের প্রতিদিনের কার্যক্রমের শেষেও দুই লাইন বাজানোর কথা বলা হয়েছে।

গাওয়ার সময় যা করতে হয়

জাতীয় সংগীত কোনোভাবেই ভুল গাওয়া যাবে না। একদম সঠিক উচ্চারণে এবং সুরে শুদ্ধ করে গাইতে হবে এবং গাওয়ার সময় এর প্রতি যথাযথ সম্মানও দেখাতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় ও জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়, তখন উপস্থিত সবাইকে জাতীয় পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে। যখন পতাকা প্রদর্শন না করা হয়, তখন সবাইকে বাদক দলের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে এবং কারও মাথায় টুপি থাকলে খুলে ফেলতে হবে। অনেককেই বুকে হাত রেখে জাতীয় সংগীত গাইতে দেখা যায়। এটি আসলে সঠিক নয়। জাতীয় সংগীত গাইতে হবে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে। সাধারণ নাগরিকদের বাইরে ডিফেন্স বা প্রতিরক্ষাÿবাহিনীর জন্য জাতীয় সংগীত গাওয়ার নিয়ম পৃথকভাবে বলা হয়েছে।

লেখক: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

দেশি নাকি হাইব্রিড বরই

কুল বা বরই—দুই নামে পরিচিত ফলটি। দুই নামের পাশাপাশি আমাদের দেশে দুই জাতের বরই পাওয়া যায়। একটি দেশি, আরেকটি হাইব্রিড। কাঁচা ও পাকা দুই রকমের বরই খাওয়া হয়। স্বাদ টক ও কাঁচা-মিঠাজাতীয়।

দেশি ও হাইব্রিড এবং কাঁচা ও পাকা—সব রকম বরই পুষ্টিতে ভরপুর। ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান ও প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানালেন দুই ধরনের বরইয়ের গুণাগুণ।

দেশি বরই

দেশি বরইয়ে ভিটামিন সির পরিমাণ বেশি। ভিটামিন সি বেশি থাকার কারণে সংক্রমণজনিত রোগ যেমন টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বায় ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে। দেশি বরইয়ে প্রচুর পরিমাণ রস থাকে। বরইয়ের রসকে অ্যান্টিক্যানসার হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ফলের রয়েছে ক্যানসার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ ক্ষমতা। দেশি বরই স্বাদে তুলনামূলক টক। টক বেশি হওয়ার কারণে এতে ক্যালরি ও ফাইবার বেশি। ক্যালরি ও ফাইবার থাকার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। তবে দেশি বরই বেশি খেলে অ্যাজমা ও কাশি হতে পারে। শুকনো বরই রক্ত পরিশুদ্ধ করে। এটি হজম প্রক্রিয়ার সহায়ক। বরইতে ফ্যাট নেই বললেই চলে। ২ আউন্স (প্রায় ৪টি) বরই শরীরে ৪৪ ক্যালরি শক্তি জোগান দেয়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে। বরইয়ের খাদ্যশক্তি শরীরের দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে। ডায়রিয়া, মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি রোগ খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে এই ফল।

হাইব্রিড বরই

হাইব্রিড বরই খেতে খুব সুস্বাদু। বেশি ভাগ মানুষ এ জাতের বরই পছন্দ করে। হাইব্রিড বরইয়ে চিনির পরিমাণ বেশি। চিনি বেশি থাকার কারণে শরীরের বেশ কিছু উপকার হয়। এই বরই বেশি খেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। ক্ষুধা নিবারণের জন্যও হাইব্রিড বরই খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদিসহ আরও অনেক ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে এ বরইয়ে। ফলে হাড় শক্ত ও মজবুত করতে সাহায্য করে। আয়রন ও ফসফরাস শরীরে রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বাড়ায়। এই বরইয়ে ভিটামিন এ থাকায় চোখের যত্নে দারুণভাবে কাজ করে। দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করতে বরইয়ের জুড়ি নেই।

গ্রন্থনা: তারিকুর রহমান খান