‘মশাল’প্রতীক রিট খারিজ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : মশাল প্রতীক চেয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের দায়ের করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এ অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান। বৃহস্পতিবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইদ্রিসুর রহমান। পরে তাপস কুমার বিশ্বাস জানান, রিটকারী পক্ষের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন।

আদেশের পর ইনুর আইনজীবী ইদ্রিসুর রহমান বলেন, রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন অংশকে ‘মশাল’ প্রতীক বরাদ্দে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল রইল।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৬ সালে জাসদ ছেড়ে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাজাসদ) গঠন করেন শরীফ নুরুল আম্বিয়া। তিনি দলটির সভাপতি। পরে একই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর হাসানুল হক ইনুর জাসদের অনুকূলে ‘মশাল’ প্রতীক বরাদ্দে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে শরীফ নুরুল আম্বিয়া হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এরপর কয়েক দফা শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও রিটকারীর আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন আদালত।

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন ৭২ বছর

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: ২০১৬ সালের হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে গড় আয়ু বেড়েছে ৭ মাস ২০ দিন। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন ৭২ বছর।
২০১৬ সালে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭১ দশমিক ৬ বছর।
আজ বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মিলনায়তনে ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পোল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০১৭’ প্রকল্পের রিপোর্ট এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, মহাপরিচালক আমির হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্প পরিচালক একেএম আশরাফুল হক সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করেন।

সম্পাদকীয় : কাল পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে সারাদেশে ব্যাপক প্রস্তুতি

সম্পাদকীয়,

কামরুল হাসান রনি : ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগি্ন স্থানে শুচি হোক ধরা’। প্রকৃতির নিয়মে দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো বাংলা সন ১৪২৪। বসন্ত শেষে প্রকৃতিতে ছোঁয়া লেগেছে গ্রীষ্মের। ঝাঁজালো রোদও তাই জানান দিচ্ছে। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে আরো একটি বছর। রাত পোহালেই নতুন বাংলা বছর ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সবাই। মানুষ ভালো থাকুক আর মন্দ থাকুক নববর্ষ ভালোভাবে কাটুক এটাই সবার প্রত্যাশা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দেশের সর্বত্র আগামীকাল ১৪ এপ্রিল শনিবার ১৪২৫ বাংলা সনের প্রথমদিন পহেলা বৈশাখ উদ্যাপিত হবে মহাআনন্দে সাড়ম্বরে। ব্যতিক্রম দেখা যাবে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তারা বৈশাখের দ্বিতীয়দিন রোববার হালখাতা অনুষ্ঠান করবে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।

সারাদেশের বিভিন্ন জেলা,উপজেলা শহর, গ্রাম আর শহরতলীর মানুষ বৈশাখ উদ্যাপনে উদ্গ্রীব হয়ে উঠেছে। সবাই নিজ নিজ ভাবনায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কীভাবে বরণ করবে পহেলা বৈশাখকে। তাই চারদিকে ব্যাপক আয়োজন। বাঙালিয়ানা আর ঐতিহ্যের আহ্বান থেকে চিরচেনা বৈশাখকে কীভাবে বরণ করবে তার পরিকল্পনাও নিয়ে রেখেছেন অনেকে।

উৎসবপ্রিয় বাঙালি নববর্ষের বর্ণাঢ্য উচ্ছ্বাসময় উৎসবের জন্যে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুত নিয়ে রেখেছে। দোকান/গদিঘর, মিল-ফ্যাক্টরী ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধুয়ে মুছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিচ্ছে। অতীতের গ্লানি মুছে দিয়ে নতুন প্রভাতে নতুন মনে আবার ফুটে উঠুক সকলের মুখে আনন্দের হাসি। এমনটা কামনা করে পুরাতন হিসাব চুকিয়ে শুভ হালখাতা করা নিয়ে ব্যস্ত সকল স্তরের ব্যবসায়ী। মিষ্টি দোকানিরা ব্যস্ত জিলাপি, দই-মিষ্টি বানানোর কাজে। খই-মুড়ির পাইকারি ও খুচরা বাজারও সরগরম। পোশাক ও কসমেটিকস এবং শাড়ি-লুঙ্গির দোকানগুলোর বেচা বিক্রি নববর্ষ উপলক্ষে বেড়েছে। শহরে বিভিন্ন মার্কেটে চলছে নববর্ষের কেনাকাটা। পহেলা বৈশাখে নারীর কাছে নতুন ডিজাইনের শাড়ি এবং পুরুষদের পছন্দ উৎসবের পাঞ্জাবি-পায়জামা ও ফতুয়া। খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। তারা যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মহাজনরা খুশি মনে তাদের শ্রমিক-কর্মচারীদের পাঞ্জাবি-লুঙ্গি, গামছা এমনকি বউয়ের জন্য শাড়িও উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন। নববর্ষের দিনটিতে সবাই ভালো থাকতে চেষ্টা করেন। এই উৎসবকে ঘিরে পাড়া-মহল্লার ছেলে-মেয়েরা আনন্দে মেতে উঠে। এবং বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী মেলাও বসে থাকে।

একসময় ১লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে পান্তা ইলিশ খাওয়ার খুব রেওয়াজ থাকলেও গত বেশ ক’বছর সেই রেওয়াজ নেই। জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষায় বছরের এ সময় নদীতে মাছ ধরা (বিশেষ করে ইলিশ) ধরা নিষেধ থাকায় এখন আর শহরে ১লা বৈশাখের ইলিশ পান্তা খাওয়া হচ্ছে না। তারপরও কোনো কোনো ব্যবসায়ী ১লা বৈশাখকে সামনে রেখে বার্মার ইলিশ আমদানিসহ কিছু দেশী ইলিশ মজুদ রেখেছেন হয়তো আগামীকাল মহাআনন্দে ভোজন রসিকদের পান্তা ইলিশ উদ্যাপনের সুবিধার্থে।

বিগত দিনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ২ বৈশাখ রোববার অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উদ্যাপিত হবে হালখাতা অনুষ্ঠান। কোনো কোনো বাংলা পঞ্জিকা মতে ১৪২৫ বাংলা সনের প্রথমদিন রোববারই হলো পহেলা বৈশাখ। সেই মতে অনেকেই এ দিনটি বাংলা শুভ নববর্ষ হিসেবে উদ্যাপন করবে। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনের কাছে এ দিনটি বাংলা বছরের ১ম দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

শুভ কামনায় নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা । শুভ নববর্ষ ২০২৫ সন।

‘একসঙ্গে এত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা?’

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : বিএনপির আট নেতার বিরুদ্ধে ‘১২৫ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং’-এর ঘটনা তদন্তে নেমেছে দুদক। বিএনপি বলছে, খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার পর দলের নেতাদের দমনেই এই তৎপরতা। এমনকি টিআইবি বলছে, বিএনপির এতজন নেতার বিরুদ্ধে একসঙ্গে তদন্ত শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এই তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বলছে, ‘অভিযোগ পেলে অনুসন্ধান করে দেখতে হবে, এটা সত্য কি না। কারো প্রতি অন্যায় হোক, এটা আমরা চাই না।’
এ জন্যই বিএনপির আট নেতার ব্যাংক হিসাব থেকে ৩০ দিনে ১২৫ কোটি টাকা সন্দেহজনকভাবে লেনদেন হয়েছে কিনা তা জানতে যেসব ব্যাংক থেকে লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে, সেই সব ব্যাংককে চিঠি দিয়ে দুদক ওই আট নেতার লেনদেনের তথ্য জানতে চেয়েছে।
বিএনপির যে ৮ নেতার ব্যাংক লেনদেনের তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মীর্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম-মহাসচবি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল।
দুদকের চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে লেনদেনের হিসাব চাওয়ার কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘৩০দিনের মধ্যে তাঁদের ব্যাংক হিসাব থেকে মানিলন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ১২৫ কোটি টাকা লেনদেন জ্ঞাত আয় বহর্ভিূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তের প্রয়োজনে।’
অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপ-পরচিালক মো. শামছুল আলমের নতেৃত্বে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সন্দেহজনক লেনদেনের একটি হিসাবের কথাও বলছে দুদক। তাতে বলা হয়, ‘তিনটি বেসরকারি ব্যাংকে আবদুল আউয়াল মিন্টুর হিসাব থেকে ১১, ১৫ ও ২২ ফেব্রুয়ারি মোট ৩২ কোটি টাকা তোলা হয়। একই মাসে তাঁর ছেলে তাবিথ আউয়ালের হিসাব থেকে তোলা হয় ২০ কোটি টাকা।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খানের ব্যাংক হিসাব থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি তোলা হয় ১৮ কোটি টাকা। তাঁর ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খানের হিসাব থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি তোলা হয় ৯ কোটি টাকা।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন ৩ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১২টি চেকের মাধ্যমে ২১ কোটি টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি চেকে টাকা তোলা হয়েছে ঢাকার বাইরে থেকে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ ঢাকা ব্যাংকে মীর্জা আব্বাসের হিসাব থেকে ১৬ কোটি টাকা তোলা হয়। এছাড়া নজরুল ইসলাম খান এবং হাবিব উন নবী খান সোহেলের ব্যাংক হিসাব থেকে বিভিন্ন সময়ে ৭ কোটি টাকা সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে’ বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
দুদকের এই অনুসন্ধানের ব্যাপারে অনুসন্ধান তালিকায় থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার পর যেসব নেতা বিভিন্ন পর্যায় থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন, দলকে সংগঠিত করার কাজ করছেন, তাদেরই এখন টার্গেট করা হচ্ছে। তারা যাতে বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই হাস্যকর অনুসন্ধান শুরু হয়েছে দুদকের।’
তিনি দাবি করেন, যেসব ব্যাংকের কথা বলা হচ্ছে, ওইসব ব্যাংকে তো মোশাররফ সাহেবের কোনো অ্যাকাউন্টই নেই।
‘আমার ব্যাংক থেকে পারিবারিক প্রয়োজনের বাইরে কোনো টাকা তোলা হয়নি। মিন্টু সাহেবের ক্ষেত্রেও তাই। নজরুল ইসলাম খান একজন লেবার লিডার। তার চলার মতো পয়সা নেই। ২০ দলের সমন্বয়কারী তিনি, এজন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত। সোহেলেরও চলার মতো পয়সা নাই। সে ঢাকা সিটিতে বিএনপিকে সংগঠিত করছে। তাই তার বিরুদ্ধেও তদন্ত। মানে যারা এখন দলকে সংগঠিত করছেন, আন্দোলন সংগঠন করছেন তাদেরই টার্গেট করা হচ্ছে।’
তিনি আরো অভিযোগ করেন, দেশের ব্যাংক এবং আর্থিক খাতে এখন যে বিশৃঙ্খল অবস্থা চলছে, তা থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোও এর উদ্দেশ্য। তারা একটি কথিত অনলাইনের ওপর ভিত্তি করে এসব কাজ করছে। ওই অনলাইনটি বিএনপি ও নেতাদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ করে আসছে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘বিএনপি নেতারা মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ১২৫ কোটি টাকার লেনদেন কেন করলেন, কী কারণে করলেন, তা দুদক অনুসন্ধান করতেই পারে। দুদকের কাজই হলো দুর্নীতি, অস্বাভাবিক লেনদেনের অনুসন্ধান করা। তারা তো আওয়ামী লীগেরও অনেক এমপি ও নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করছে। তাদের ওপর সরকারের প্রভাব বিস্তারের প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি বলেন, এই ১২৫ কোটি টাকার ব্যাপারে দেশের মানুষও জানতে চায়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামন বলেন, অভিযোগের গুণগত মান এবং স্বচ্ছ তদন্তই আমরা আশা করি। দুদককে এই তদন্তে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তে কেউ যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার শাস্তি প্রাপ্য। কিন্তু আইন সবার জন্য সমান এবং দুদক সমতার নীতিতে আইন প্রয়োগ করছে, তা প্রমাণ করা জরুরি।
তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির এতজন নেতার বিরুদ্ধে একসঙ্গে তদন্ত শুরু হওয়ায় স্বাভাকিভাবেই এই তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।’ আমরা আশা করবো, এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। তবে সেটা দুদককেই তার স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।
এদিকে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পেলে অনুসন্ধান করে দেখতে হবে, এটা সত্য কি না। অনুন্ধানের পরই বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য কি না, তা বলা যাবে। এই অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘কারো প্রতি অন্যায় হোক, এটা আমরা চাই না।’

 

সুত্র:শীর্ষ নিউজ

ছিনতাইকারীকে লাথি মেরে ৪২ লাখ টাকা রক্ষা

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: রাজধানীর গুলিস্তান থেকে ছিনতাইয়ের সময় লাথি মেরে ৪২ লাখ টাকা রক্ষা করেন ভুক্তভোগী নিজেই।
ব্যাগ ছিনতাই করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যাচ্ছিল ছিনতাইকারী। এসময় ছিনতাইকারীকে লাথি দিয়ে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেন ভুক্তভোগী। এভাবে রক্ষা পায় ছিনতাই হওয়া টাকা। পরে লোকজন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গুলিস্তানের মুক্তমঞ্চের বিপরীত পাশের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইকারী ফারুক ও তার মোটরসাইকেল আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, ‘দুজন ব্যবসায়ী ইসলামপুর থেকে রিক্শায় চড়ে পল্টন যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিল টাকার ব্যাগ। গুলিস্তানের মুক্তমঞ্চের সামনে তিনটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন যুবক এসে রিকশার গতিরোধ করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় এক ব্যবসায়ী লাথি দিলে মোটরসাইকেলে থাকা এক ছিনতাইকারী মাটিতে পড়ে যায়। তার সঙ্গে পড়ে টাকাভর্তি ব্যাগটিও। পরে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
ওসি আবুল হাসান জানান, ব্যাগে কী পরিমাণ টাকা ছিল তা গুনে দেখা না হলেও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন এতে ৪২ লাখ টাকা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ছিনতাইকারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। থানায় যাওয়ার পর টাকা কত ছিল তাও জানা যাবে।’