নয়াপল্টনে মানুষের ঢল ,বৃহত্তর ঐক্যের ডাক বিএনপির

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ থেকে বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিয়েছে বিএনপি। সমাবেশে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ডাক দিয়ে বলেছেন, ‘এখন আর বিভেদ নয়, গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশ রক্ষায় বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। আমাদের বুকের ওপর যে দুঃশাসন চেপে বসেছে তাদেরকে পরাজিত করতে হবে।’

বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের এখন বিএনপি ভীতি কাজ করছে। এই ভীতি থেকে বাঁচতে ইভিএম নিয়ে আসছে।’

আওয়ামী লীগ একটা দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বুকে সাহস নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’ এসময় তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

আপনাদের পতনের শব্দ শোনা যাচ্ছে: কাদেরকে বিএনপি

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, চলাফেরার স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে হরণ করে যে শূন্যতার সৃষ্টি করেছেন, তাতে ধেয়ে আসা প্রতিবাদী মানুষের টর্নেডোতে ভয় পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বেসামাল হয়ে পড়েছেন। তাই কখনো ভয়ের কথা বলছেন, কখনো ধমকের সুরে কথা বলছেন।’
আজ শনিবার দুপুরে দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘ধমক দিয়ে প্রতিবাদী কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে পারবেন না। চারদিকে আপনাদের পতনের শব্দ শোনা যাচ্ছে।’
নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘শিশু-কিশোররা রাস্তায় নেমেছিল নিরাপদ সড়কের দাবিতে। আবেগাপ্লুত অনেক স্লোগানে তারা মানুষের হৃদয়কে শুধু দোলাই দেয়নি বরং ঘুমন্ত বিবেককে জাগিয়েছে, কর্তব্যবোধ সম্বন্ধে সচেতন করেছে।’

‘কিন্তু এখন এ আন্দোলনের সমর্থনকারীদের বলা হচ্ছে উসকানিদাতা। অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, ফেসবুক ব্যবহারকারী, রাজনৈতিক দল- যারা এই আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারের হিড়িক চলছে। রিমান্ডে নিয়ে শেখানো বুলি স্বীকার করতে উৎপীড়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়া নজিরবিহীন।’
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ভোটারবিহীন সরকারের আন্দোলন দমানোর ঘটনার কথা শুনে দেশ-বিদেশের মানুষ শিহরিত হয়ে উঠেছে। এ আন্দোলনে সমর্থনকারী আলোকচিত্রী, অভিনেত্রী, শিল্পী, কলাকুশলি, লেখক, সাংবাদিক, অভিভাবক কেউ সরকারের নিপীড়ন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। সবচেয়ে লোমহর্ষক ঘটনা হচ্ছে ছাত্রীদের সন্ধ্যারাত ও গভীররাতে হলের সামনে থেকে, বাসা থেকে এবং নদীর চরের প্রত্যন্ত এলাকার গ্রামের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
রুহুল কবির রিজভী আরো বলেন, ‘আমরা ক্ষতিকর গুজবের পক্ষে নই, তবে প্রকাশ্যে হাতুড়ি দিয়ে ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে পা গুড়া করে পঙ্গু করে দেওয়া এবং শহীদ মিনারে একজন ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করা কি গুজব? পুলিশ ও হেলমেটধারী সন্ত্রাসীদের একযোগে শিশু-কিশোর ও সাংবাদিকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া কি গুজব? এগুলোতো সবার সামনেই ঘটেছে। এদের কেন বিচারের আওতা থেকে দূরে রাখা হয়েছে?’

রাজধানীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে যুবদল উত্তর।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় পান্থপথ বসুন্ধরা মার্কেটের সামনে যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের নেতৃত্বে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় যুবদলের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই। মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই বলে স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার মিথ্যা মামলায় বন্দি করে রেখেছে।নিউজ মিডিয়া ২৪:

রিজার্ভ লুট-স্বর্ণ গায়েবে ক্ষমতাসীনরাই জড়িত: খন্দকার মোশাররফ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুট ও স্বর্ণ গায়েবের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের লোকেরাই জড়িত বলে মন্তব্য করেন খন্দকার মোশাররফ।
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি জামিন পাওয়ার পরেও নানা অজুহাতে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে। তাদের একটাই উদ্দেশ্য তারা এদেশে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে রাখতে চায়। কিন্তু এদেশের জনগণ বার বার প্রতারিত হবে না। তবে, সময় আসছে বেশি দূরে নয় এদেশের মানুষ গণ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে।’

যুবদল নেতা টুকু, ছাত্রদল নেতা ইসহাক রিমান্ডে

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও বিএনপি নেতা এনামুল হকের বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার পৃথক দুই মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হান উল ইসলাম এ আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
দুই মামলার মধ্যে এক মামলায় টুকু ও এনামুলের ১০ দিন করে ও আরেক মামলায় ইসহাক ও এনামুলের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে এনামুল হকের প্রত্যেক মামলায় একদিন করে দুই দিন ও অপর দুই আসামির দুই দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন ।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন রাতে টুকুকে উত্তরার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর তাকে কয়েকটি মামলায় রিমান্ডে নেয় পুলিশ। সর্বশেষ এই মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আর গত ৮ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে বনানী আসার পথে একটি মাইক্রোবাস এসে ডিবি পরিচয়ে ইসহাককে আটক করে। ১০ জুলাই শাহবাগ থানার একটি মামলায় ইসহাকের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ১৬ জুলাই ওই মামলায় রিমান্ড শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৮ ফ্রেবুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আসামিরা শাহবাগ এলাকার চাঁনখারপুল মোড়ে অবস্থান নিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে স্লোগান দিতে থাকে। পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে তারা লাঠিসোটা, ইট-পাটকেল নিয়ে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয় এবং পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ওই ঘটনায় পুলিশ রমনা থানায় মামলা দুইটি দায়ের করে।

বনানীতে হোটেলের পেছনে যুবলীগ নেতার দেহরক্ষীর গুলিবিদ্ধ লাশ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: রাজধানীর বনানীতে কাজী রাশেদ নামে যুবলীগ নেতা সোহেলের দেহরক্ষীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার সকালে বনানীর আমতলী এলাকায় জলখাবার হোটেলের পেছনের গলি থেকে গুলিবিদ্ধ তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশের ধারণা, অন্য কোথাও হত্যা করে কেউ সেখানে লাশ ফেলে গেছে।
তবে নিহত রাশেদের বাবা বাবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর মহাখালীতে বনভবনের পাশের ওই যুবলীগের অফিসে তালা দিয়ে বনানী থানা যুবলীগের সভাপতি সোহেলসহ অন্য নেতারা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশ গিয়ে ওই যুবলীগ অফিসের সব সিসি ক্যামেরা বন্ধ পেয়েছে বলে জানান আবুল হোসেন। এতেই তার সন্দেহ হয় তার কাছের লোকজনই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গা ঢাকা দিয়েছে।
বনানী থানার এসআই মো. শাহীন আলম গণমাধ্যমকে জানান, নিহত কাজী রাশেদ আমতলী এলাকার মো. আবুল হোসেনের ছেলে। খবর পেয়ে রোববার সকাল ৭টায় তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে তাকে কারা কেন হত্যা করেছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত রাশেদের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

ঢাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: ঢাকায় আজ ঈদের দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক শনিবার সকালে জানান, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে ঢাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহের জন্য আজ দুপুর পর্যন্ত তিন নম্বর সতর্ক সংকেত অব্যাহত রয়েছে। দুপুরের পর এই সতর্ক সংকেত নামিয়ে দেওয়া হবে। তবে নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮২ মিলিমিটার এবং নীলফামারীর ডিমলায় ৬২ মিরিমিটার।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজধানীতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় অর্থাৎ আগামী তিনদিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে শহীদ মিনারে বিশিষ্টজনদের কর্মসূচি পুলিশি বাধায় পণ্ড

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশিষ্টজনদের মৌন অবস্থান কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে দুই দফায় পৃথকভাবে বিশিষ্টজনেরা সেখানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের বাধায় সরে যেতে বাধ্য হন। প্রথম দফায় আসা দলটি পুলিশের বাধায় সঙ্গে আনা ব্যানারও খুলতে পারেনি। আর পরের দলটি ২০ মিনিটের মতো শহীদ মিনারের সিঁড়িতে অবস্থান নিতে পারে।
জানা গেছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অবস্থান কর্মসূচিটি হওয়ার কথা ছিল।

সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে ৫০ জনের মতো বিশিষ্টজন শহীদ মিনারে সমবেত হন। তাঁরা সেখানে যাওয়া মাত্র পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। পুলিশের বাধা পেয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখান থেকে চলে যান তাঁরা।
এ সময় অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি মানবিক আবেদন নিয়ে আমরা এখানে এসেছিলাম। আমরা চাই, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে যেন মানবিক কারণে মুক্তি দেওয়া হয়। আমাদের সঙ্গে আনা ব্যানারে সেই কথাটিও লেখা ছিল। কিন্তু তারা (পুলিশ) ব্যানারটি খুলতেই দেয়নি। এখানে দাঁড়াতেও দেয়নি, বসতেও দেয়নি।’
ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা খাতুন, অধ্যাপক তাজমেরি এন ইসলাম, ডা. এম এ আজিজ, অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, আবদুল হাই শিকার প্রমুখ।
ওই দল চলে যাওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিশিষ্টজনদের আরেকটি দল শহীদ মিনারে এসে পৌঁছায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অধ্যাপক মেজবাহ-উল ইসলাম, হোসনে আরা, আখতার হোসেন খান, আবদুর রশীদসহ ১৫ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিক। তাঁরা শহীদ মিনারের সিঁড়িতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অবস্থান নেন।

পুলিশ এসে তাঁদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে। ওই সময় তাঁরা পুলিশের উদ্দেশে বলেন, ‘থাকার জন্য আসিনি, চলে যাব।’
এ ব্যাপারে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওনারা কী জন্য এসেছেন, জানি না। অনুমতি থাকলে বুঝতে পারতাম কী কারণে এসেছেন। আমরা খবর পাই যে এখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছেন, অনুমতি না থাকায় তাঁদের চলে যেতে বলেছি।’

খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না: ফখরুল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারগারে অত্যন্ত অসুস্থ। এই অসুস্থতা এমন পর্যায় গিয়েছে যে তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে গিয়েছিল। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। এই অসুস্থতা এমন পর্যায় গিয়েছে যে ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না। আমরা এর আগেও বলেছি তার বাম হাত অবশ হয়ে গেছে। তিনি আগে থেকে আর্থ্রাইটিস, ব্যাক পেইনে ভুগছিলেন। এগুলো বেড়ে গেছে।

“চিকিৎসকরা বলেছেন, তার এমআরআই দরকার। ফিজিও থেরাপী দরকার। সেই ফিজিওথেরাপি তিনি পাচ্ছেন না। কারাগারে স্যাঁত স্যাঁতে পরিবেশে তিনি প্রতিদিন অসুস্থ হচ্ছেন। এখন প্রতি রাতে তার জ্বর আসে। এই কারাগারে এখন কেনো জেনারেটর নেই। আমরা যখন কারাগারে ছিলাম তখন কখনোই বিদ্যুৎ যেত না। জেনারেটর দিয়ে সার্ভিস দেয়া হতো। বিদ্যুৎ চলে গেলে কোন ফ্যান কাজ করে না, বাতি জ্বলে না। মোমবাতি আর হাত পাখা ব্যবহার করতে হয়। সারাজীবন তিনি যেটায় অভ্যস্ত তার ন্যূনতম সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। এই অমানবিকতা, নিষ্ঠুর আচরণ তার সাথে করা হচ্ছে”।

তিনি আরও বলেন, কারাগারে যারা প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত তারা অনেক কিছু বাইরে থেকে নিয়ে আসতে পারেন। আমরাও ভোগ করেছি। কিন্তু সেগুলো দেশনেত্রীকে দেয়া হচ্ছে না। বাইরে থেকে তার পরিবার যে খাবার দেয়া হচ্ছে সেটাও দেয়া হচ্ছে না।

এই মুহুর্তে খালেদা জিয়ার এমআরআই ও সঠিক চিকিৎসা করা দরকার। আমরা মনে করি কোন কাল বিলম্ব না করে বিশেষায়িত হাসপাতাল, বিশেষ করে তার পছন্দের ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।

“মূল মামলায় দেশনেত্রীর জামিন হয়ে গেছে। তারপরও একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না। সেই মিথ্যা মামলায়ও হাইকোর্ট থেকে জামিন পাচ্ছে, সেই জামিনও সরকার আটকে দিচ্ছে। তিনি যেন বের হতে পারে তার সকল ব্যবস্থা করছে”।

‘‘এর পেছনে একমাত্র উদ্দেশ্য তা হলো বেগম জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা। আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করছে”।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন প্রমুখ।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে:সুলতানা কামাল

নিউজ মিডিয়া ২৪:  ঢাকা: বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি সুলতানা কামাল।
আজ সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সুলতানা কামাল বলেন, জনগণের টাকায় কেনা অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। দেশে ক্রমাগতই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেই চলেছে, এটা বড়ই উদ্বেগের বিষয়। মাদক ব্যবসায়ীসহ যে কোনো সন্ত্রাসীকে এভাবে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা মানবাধিকার লঙ্ঘন। যে কোনো অন্যায় অপরাধকে বিচারের আওতায় এনে তার শাস্তি দেওয়া উচিত। অথচ সেটা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, জনগণ এভাবে হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না। তাই যদি হবে তাহলে দেশে আইন আদালত কেন? জনগণের টাকায় কেনা অস্ত্রকে এভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা বেআইনি। অপরাধীদেরকে আটক করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।
সময় সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাকটিভিজমের সমন্বয়কারী লিসা হায়াৎ তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, জাতিসংঘের সর্বজনীন পুনর্বীক্ষণ প্রক্রিয়ার (ইউপিআর) আওতায় গত ১৪ মে জেনেভায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে। সেখানে ১০৫টি দেশ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে ২৫২টি সুপারিশ করেছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্যও প্রসংশাও করেন তারা। তবে এসবের তুলনায় সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলো ছিল ব্যাপক।
সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাকটিভিজম, নেটওয়ার্ক অব নন-মেইনস্ট্রিম মারজিনালাইজড কমিউনিটিস, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যা-রিফর্ম এ ডেভেলপমেন্ট এবং কাপেং ফাউন্ডেশন এ মিট দ্য প্রেস-এর আয়োজন করে।