শুক্রবার সকালে গুলশানে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য রাখবেন।
দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয় সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।

নিউইয়র্কে যুবলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, গ্রেফতার ৩

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক : ‘শেখ হাসিনার আগমণ-শুভেচ্ছা স্বাগত’ স্লোগানে যুবলীগের একটি মিছিল রাস্তা অতিক্রমের সময় যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির আহ্বায়ক তারিকুল হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন গ্রুপের সাথে সংঘর্ষ হয়। এ অবস্থায় পুলিশ এসে তারিকুল হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন এবং সেবুল মিয়াকে গ্রেফতারের সংবাদ পাওয়া গেছে।
গত বুধবার রাত ১০টার পর নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনের এ সংঘাতের ঘটনায় পথচারীসহ আশপাশের বাসিন্দার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে রাত ১২টায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আমরা ভেতরে ছিলাম। বাইরে ওরা গন্ডগোল করেছে। এর বেশী কিছু জানি না।’
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, নেত্রী আসছেন, এজন্য শো-ডাউনের প্রতিযোগিতায় সামান্য একটু মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এটা কোন বিষয় নয়। আমরা পুলিশ স্টেশনে গিয়ে সকলকেই মুক্ত করে আনবো।
নিউইয়র্কের পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে যে, ওই অফিসের দরজা ভাংচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে। তবে আহত কাউকে হাসপাতালে নেয়ার কথা পুলিশের জানা নেই।
যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘২৩ সেপ্টেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমণের সময় এয়ারপোর্টে বড় ধরনের শো-ডাউনের পাশাপাশি ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণদানের সময় বাইরে বড় ধরনের একটি সমাবেশের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের মিছিল ওই এলাকা (৩৭ এভিনিউ এবং ব্রডওয়ে) প্রদক্ষিণকালে তারিকুল হায়দারসহ কয়েকজন হামলা চালালে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ভেতর থেকে মিছিলকারিদের ওপর চেয়ার নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে।’ ‘এক পর্যায়ে জ্বলন্ত সিগারেট নিক্ষেপ করা হয় মিছিলকারিদের উদ্দেশ্যে এবং তা জামাল হোসেনের গায়ে লাগে’-অভিযোগ যুবলীগ নেতার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাইরে যুবলীগের দুই গ্রুপের এই সংঘাতের সময় ভেতরে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান এবং লুৎফুল করিম, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম দুলাল মিয়াসহ নেতৃবৃন্দ।
ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে ড. সিদ্দিকুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘ভেতরে আমরা মিটিং করছিলাম। সে সময় বাইরে থেকে দরজায় ধাক্কা-ধাক্কি করা হয়েছে। দরজার কাঁচ ভেঙে গেছে। এ সংবাদ জেনে পুলিশ এসে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। এটা আইনের দেশ। আইন অনুযায়ী সবকিছু হবে।’
গভীর রাতে পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের জামিনে মুক্ত করার দেন-দরবার চলছিল স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে।
উল্লেখ্য যে, তিন বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের কমিটি ভেঙে দিয়ে তারিকুল হায়দার চৌধুরীকে আহবায়ক করে ৬০ দিনের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। আজ অবধি সম্মেলন হয়নি এবং কার্যকরী কমিটি গঠনের কোন উদ্যোগও নেয়া হয়নি। এ নিয়ে নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ এবং পাল্টা কর্মসূচি পালন করছেন জামাল-সেবুলের নেতৃত্বাধীন যুবলীগ। যুবলীগের তারিকুল গ্রুপিংয়ে মদদ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের-এমন অভিযোগ বহু পুরনো।

বামজোটের সঙ্গে সন্ধ্যায় বসছেন রব, জাফরুল্লাহ, মান্না

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : আজ সন্ধ্যায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে বৈঠকে বসবে যুক্তফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে সিপিবি’র কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
এর আগে বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বামজোটের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। জানা গেছে, ‘সিপিবি’র অফিসে আজকের বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে জেএসডি সভাপতি আসম রব, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না থাকবেন। ’

মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্য স্ববিরোধী ও সরকারের চিন্তারই প্রতিফলন : বিএনপি

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকার গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্য স্ববিরোধী ও সরকারের চিন্তারই প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি- অবৈধ আওয়ামী সরকার ও সরকার প্রধান সুপরিকল্পিতভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা না দিয়ে তাঁর অসুস্থতা চরম শোচনীয় অবস্থায় উপনীত করার চক্রান্ত চালিয়ে আসছে।
সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সরকারি দলের অনুগত চিকিৎসকদের দিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড কারাগারে ২০ মিনিটে তথাকথিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিএসএমএমইউ-তেই ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন। অর্থাৎ আমরা পূর্বেই বলেছিলাম-দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে সরকার দলের অনুগত বোর্ড সদস্যরা সরকারের পছন্দানুযায়ী পরামর্শ দেবেন-সেটিই প্রমাণিত হলো।
‘বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়, কোনো আশঙ্কা নেই’- মেডিকেল বোর্ডের এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য যদি ঝুঁকিপূর্ণ না হয় তাহলে অন্যের সাহায্য ছাড়া তিনি এপাশ-ওপাশ হতে পারেন না কেন? একথা তো মেডিকেল বোর্ডই স্বীকার করেছে। দেশনেত্রীর অসুস্থতা নিয়ে মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্য স্ববিরোধী ও সরকারের চিন্তারই প্রতিফলন।
রিজভী বলেন, ‘সরকারি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ একদেশদর্শী ও সার্বজনীন চিকিৎসানীতির পরিপন্থী। একজন রোগীকে তার পছন্দ অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া উচিত, এটি তার মানবাধিকার। সেটি না করে কর্তৃপক্ষ জোর করে নিজেদের পছন্দের চিকিৎসকদের দিয়ে দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ জেদেরই বহিঃপ্রকাশ।’
বেগম খালেদা জিয়াকে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে নিয়ে যাওয়ার জন্যই সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী মেডিকেল বোর্ড ‘ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিবেদন’ দিয়েছে, আর সেজন্যই বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদেরকে বোর্ডে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বলেও দাবি করেন রিজভী।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতারের পাশাপাশি আটকের পর তা অস্বীকার ও গুম করে দেয়ার ঘটনায় সারাদেশে বিরাজ করছে এক ভয়াল আতঙ্কজনক পরিবেশ। নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনীকে আটক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার না করার ঘটনা বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর বর্তমান অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠীর চলমান নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ, কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন মো. জসিম, বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন প্রমুখ।

কেন্দ্রীয় নেতা-এমপিসহ এক ডজনের বেশি নেতাকে শোকজ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : দলীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও আব্দুল ওয়াদুদ দারাকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ধারা ৪৭ (ঠ) ও ৪৭ (চ) মোতাবেক তাদের শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মনোরঞ্জন শীল গোপাল দিনাজপুর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, আব্দুল ওয়াদুদ দারা রাজশাহী থেকে নির্বাচিত ও ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বরগুনা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

সূত্র জানিয়েছে, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, দলীয় ঐক্য, সংহতি, সম্প্রীতি, আনুগত্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আপনার দায়িত্ব কর্তব্য যথাযথ ছিল কি-না এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য প্রদান করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব প্রেরণের জন্যে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।
শোকজ নোটিশে জানানো হয়েছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই ধরনের শোকজ নোটিশ দলের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকেও পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রটি দাবি করেছে।
সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহউদ্দিন সিরাজ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন কামরান। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সিটি নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকায় অভিযুক্ত করে মিসবাহউদ্দিন সিরাজকে এবং ওই নির্বাচন সাতটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী দিতে না পারার ব্যর্থতা, সিলেট মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে না পারা ও সিলেট মহানগরে আওয়ামী লীগের কার্যালয় নেই কেন জানতে চেয়ে কামরানকে শোকজ করা হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, দলীয় তিন সংসদ সদস্যকে শোকজ করার কারণ হলো তাদের কেউ এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষিত হয়েছেন। কেউ আবার সদ্য সমাপ্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছেন।
একই কারণে দিনাজপুর, বরগুনা ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। যাদের শোকজ করা হয়েছে তারা হলেন- জাহাঙ্গীর কবির সাধারণ সম্পাদক বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ, গোলাম সরোয়ার টুকু সাংগঠনিক সম্পাদক বরগুনা জেলা, আসাদ উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক সিলেট মহানগর, আহসানুল হক মামুন সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী জেলা, অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম আইন সম্পাদক দিনাজপুর জেলা, আসাদুজ্জামান আসাদ সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী জেলা, জাকারিয়া জাকা সভাপতি বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, গোলাম সরোয়ার টুকু সাংগঠনিক সম্পাদক বরগুনা জেলা, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট মহানগর, দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান বরগুনা জেলা পরিষদ।

সরকারকে সরে যেতে হবে: ফখরুল

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: আগামী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার বেলা ১২ টার দিকে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও তার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, বর্তমান যে দানব সরকার দেশের জনগণের ওপর চেপে বসেছে, তাদের থেকে মুক্তি পেতে দরকার সব রাজনৈতিক দল, সংগঠনের ইস্পাতকঠিন ঐক্য। আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তাঁকে কারাগারে রেখে এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।
বিএনপি নেতা বলেন, আজ আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, সব রাজনৈতিক দল, সংগঠনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জনগণের দাবি আদায় করতে হবে। অপশাসনকে পরাজিত করতে হবে। জাতিকে মুক্তি দিতে হবে।
ফখরুল আরো বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ দানবকে সরাতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। তাই গণতন্ত্রমনা সব রাজনৈতিক দলকে এক হতে হবে। আসুন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হই, গণতন্ত্রকে মুক্ত করি, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিই।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে, তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সেনা মোতায়েন করতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। এ ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না, জনগণ হতে দেবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া আট মাস কারারুদ্ধ। সরকার অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় তাঁকে আটকে রেখেছে। উচ্চ আদালত তাঁকে জামিন দিলেও সরকার একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রাখছে। তারা চায়, বিএনপি ও দেশনেত্রীকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। এটি তাঁর প্রাপ্য, আমরা সরকারের কাছে বা কারো কাছে কোনো দয়াভিক্ষা চাইছি না। দেশের একজন সম্মানিত নাগরিক হিসেবে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার অবশ্যই দিতে হবে।

ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার গত ১০ বছরে বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে, সংসদকে ধ্বংস করে দিয়েছে, এখন সংসদে একটা গৃহপালিত বিরোধী দল বসিয়েছে। যারা সরকারেও আছে, বিরোধী দলেও আছে। নিজেদের স্বার্থে প্রশাসন দলীয়করণ করেছে, এখন বিচার বিভাগ পুরোপুরি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরো বলেন, এখন সরকার বিরোধী দলকে ধ্বংস করতে ভৌতিক মামলা দেওয়া শুরু করেছে, যেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। আমরা সরকারকে বলতে চাই, এভাবে গুম, খুন, মিথ্যা মামলা-নির্যাতন করে ক্ষমতা ধরে রাখা যাবে না। আজ এ নির্যাতনকারী সরকার থেকে জনগণকে মুক্তি দিতে হবে।
ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এখন সন্ত্রাসী সরকারে পরিণত হয়েছে। তাই এদের থেকে মুক্তি পেতে দরকার ইস্পাতকঠিন ঐক্য।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মিথ্যা, বানোয়াট মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। সে মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়ার পরও তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। তার একটা উদ্দেশ্য, খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে নির্বাচন করে ৫ জানুয়ারির মতো ক্ষমতা দখল করা। কিন্তু দেশের মানুষ খালেদা জিয়া, বিএনপি ও ২০ দল ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেবে না।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দিচ্ছে না। তিনি গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে একটি জাতীয় ঐক্য গঠন করে সরকারে পতন নিশ্চিত করা হবে। সে জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। আন্দোলন ছাড়া সরকারের অপশাসন থেকে মুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

নয়াপল্টনে মানুষের ঢল ,বৃহত্তর ঐক্যের ডাক বিএনপির

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ থেকে বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিয়েছে বিএনপি। সমাবেশে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ডাক দিয়ে বলেছেন, ‘এখন আর বিভেদ নয়, গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশ রক্ষায় বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। আমাদের বুকের ওপর যে দুঃশাসন চেপে বসেছে তাদেরকে পরাজিত করতে হবে।’

বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের এখন বিএনপি ভীতি কাজ করছে। এই ভীতি থেকে বাঁচতে ইভিএম নিয়ে আসছে।’

আওয়ামী লীগ একটা দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বুকে সাহস নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’ এসময় তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সংবিধানের দোহাই এবার আওয়ামী লীগ পার পাবে না : রিজভী

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: সংবিধানের দোহাই এবার আওয়ামী লীগ পার পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আজ শনিবার নয়াপল্টনে অনুর্ষ্ঠিত বিএনপির জনসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনের আগে সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার সংবিধানের বাইরে যাবে না।

ওবায়দুল কাদেরের এই প্রতিক্রিয়ার জবাবে আজ শনিবার রুহুল কবির রিজভী বলেন, যতই ষড়যন্ত্র, অপচেষ্টা ও অপলাপ করুন না কেন আপনাদের এবার বিদায় নিতেই হবে। অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সরকারকে পদত্যাগ করে সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনে সেনামোতায়েন করতে হবে। নির্বাচন নিয়ে সংবিধানের দোহাই দিয়ে কোন গড়িমসি চলবে না। জনগনের ভোট জনগন দিতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কোন বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন জনগন হতে দেবে না। শেখ হাসিনা সুষ্ঠু নির্বাচনের শত্রু পক্ষ। তাঁর অধীনে নির্বাচনের অর্থই হচ্ছে ভোটারদের ভোটাধিকার হরণ।

তিনি বলেন, জালিয়াতির মেশিন ইভিএম ব্যবহার নিয়ে নীলনকশা বন্ধ করুন। পৃথিবীর অন্যান্য স্বল্প সংখ্যক দেশে যারা ইভিএম চালু করেছিল তারাও এ পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছে। অথচ সকল প্রতিবাদ উপেক্ষা করে কেন এ গণবিরোধী সরকার ইভিএম মেশিন দিয়ে ভোট করতে চায়, সেটি এখন জনগন টের পেয়ে গেছে। সারাবিশ্বব্যাপী ইভিএম নিয়ে সন্দেহ প্রবণ এ মাধ্যম বন্ধ করে দিচ্ছে তখন বাংলাদেশের ভোটারবিহীন সরকার এ মেশিন চালু করতে এতো উৎসাহি কেন তা সুস্পষ্ট।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল রাতে বিএনপির জনসভার বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আওয়ামী লীগ নয়, নির্ভর করছে আদালতের ওপর। আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব নয়, এক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার।

“একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি সরকারের যে পদত্যাগের দাবি করেছে, তা নাকচ করে দিয়ে কাদের বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আমি বলব- ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য কোনভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। জনগণ আওয়ামী লীগের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকালের জনসভায় বিপুল মানুষের সমাগমেই প্রমাণিত হয়েছে জনগন এ সরকারকে আর চায় না। বিএনপি চেয়ারপারসন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জামিন বার বার বাধাগ্রস্ত করছে সরকার। তিনি একের পর এক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও আবার তা নানা কায়দায় আটকে দিচ্ছে সরকার। সরকারের নির্দেশেই খালেদা জিয়া কারাগারে আটকে আছে। তিনি সুবিচারে নয় প্রতিহিংসামূলক সরকারি বিচারে কারাবন্দি। তাঁর কারাবন্দীত্ব শুধুমাত্র সরকারের প্রতিহিংসার শিকারে।”

তিনি বলেন, জনগণের আন্দোলন পৃথিবীর কোথাও ব্যর্থ হয়নি, আমরাও ব্যর্থ হবনা। যেই দাবি আদায়ের জন্য আমাদের আন্দোলন চলছে তাতে আমরা ব্যর্থ হবনা, আমরা আমাদের দাবি আদায় করে ছারবই। সফল হবই ইনশাআল্লাহ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন – বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, স্বেচ্ছা সেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন ও ঢাকা জেলা সাধারণ সম্পাদক আবু আশফাক প্রমুখ।

জনগণের আস্থা হারিয়ে আ.লীগ যন্ত্রের উপর নির্ভর করছে: মির্জা ফখরুল

নিউজ মিডিয়া ২৪:ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের উপর আস্থা হারিয়ে যন্ত্রের উপর ভর করে ক্ষমতায় আসতে চায়।
বৃহস্পতিবার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, নির্বাচনে ইভিএম মেশিন ব্যবহারে কারচুপি করার সুযোগ থাকে। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যেকোন সময় ফলাফল পাল্টে দেয়া যায়। তাই অনেক আগে থেকেই আমরা এর বিরোধিতা করে আসছি। দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজসহ বিশেষজ্ঞরা নির্বাচনে এটি ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করে এমন কি ঘটল যে নির্বাচনের তিনমাস আগে ইভিএম কেনার জন্য পাগল হয়ে গেছে। একটি পরিত্যক্ত পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার জন্য ৪ হাজার কোটি টাকার যন্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আমরা আহ্বান জানাব এই পথ থেকে ফিরে আসুন। তা না হলে এর প্রতিটি পয়সা নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের দায় হিসেবে গণ্য হবে। এই ডিজিটাল কারচুপির পথ থেকে সরে আসুন। অন্যথায় প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহিতা করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী আব্দুস সাত্তার।

আরিফুলের পাসপোর্ট ফেরত দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর পাসপোর্ট ছয় মাসের জন্য ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এক রিভিশন আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় জামিনের শর্ত হিসেবে ২০১৭ সালের মে মাসে উচ্চ আদালত তার পাসপোর্ট জব্দ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। সে অনুযায়ী আরিফুলের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।

আদালতে আরিফুল হকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফজলুর রহমান; রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির।

ফজলুর রহমান পরে সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে কিবরিয়া হত্যা মামলায় জামিনের শর্ত হিসেবে তার পাসপোর্ট জব্দ ছিল।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর লন্ডনে অধ্যয়নরত আরিফুল হকের মেয়ের কলেজের সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট চেয়ে নিম্ন আদালতে আবেদন জানানো হলে গত ১৪ আগস্ট তা নাকচ করে আদালত। নিম্ন আদালতের ওই আদেশের রিভিশন চেয়ে সোমবার হাইকোর্টে আবেদন করেন আরিফুল হক।

এদিকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির বলেন, “সিলেটের মেয়র আরিফুল হক সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। সে পালিয়ে যেতে পারে, এ জন্য হাইকোর্ট তার পাসপোর্ট জব্দ রাখার শর্তে জামিন দিয়েছিল। আদালত তার পাসপোর্ট ফেরত দিতে বলেছে। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে ইতিমধ্যেই আবেদন করা হয়েছে।”

হবিগঞ্জে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ওপর জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হিসেবে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কারাবন্দী হয়েছিলেন আরিফুল হক।