সাইবার অপরাধ তদন্ত করবে ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’ নামে নতুন একটি ইউনিট খোলা হয়েছে পুলিশ অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিতে।

নতুন এই ইউনিটের জন্য একজন ডিআইজিসহ ৩৪২ পদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-৩ থেকে এই অনুমোদনের চিঠি মন্ত্রণালয়ের হিসাব শাখায় বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়।

নতুন এই ইউনিট সাইবার অপরাধ তদন্ত এবং তদারক করবে বলে সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, নতুন এই ইউনিট অনুমোদন পাওয়ার আগে সিআইডি নিজস্ব উদ্যাগে সাইবার অপরাধ দেখভাল করতে ‘সাইবার পুলিশ ব্যুরো’ নামে একটি ইউনিট চালাত।

মোল্যা নজরুল এই ব্যুরোর দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি জানান, এখন ওই ব্যুরোর কার্যক্রম নতুন ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে।

মোল্যা নজরুল বলেন, “গত বছরের মাঝামাঝি এই ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় খুব অল্প সময়ে এর সফলতা পাওয়া গেল।”

সাইবার পুলিশ সেন্টারে অনুমোদিত পদগুলোর মধ্যে একজন ডিআইজি, দুজন অতিরিক্ত ডিআইজি, তিনজন পুলিশ সুপার, ছয়জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ১৮ জন সহকারী পুলিশ সুপার, ৪৫ জন পরিদর্শক, ১৪০ জন উপ পরিদর্শক, ৩০ জন সহকারী উপ পরিদর্শক, ৭৬ জন কনস্টেবলসহ সিস্টেম এনালিস্ট, প্রোগ্রামার পদ রয়েছে।

মোট ৩৪২টি পদের মধ্যে ৩০টি ক্যাডার পদ স্থায়ীভাবে, বাকি ৩১২টি পদ অস্থায়ী।

জনবলের পাশাপাশি ৪৯টি গাড়িও দেওয়া হচ্ছে নতুন ইউনিটকে।

মোল্যা নজরুল বলেন, বর্তমানে সিআইডিতে যে জনবল আছে সেটা দিয়ে প্রাথমিকভাবে শুরু করার চেষ্টা চলছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান এখন ইউক্রেনে। ৬ ইঞ্জিনবিশিষ্ট ওই বিমানের নাম এএন-২২৫ মৃয়া। এর মালিক আন্তোনোভ এয়ারলাইন্স। এই বিমান বহন করতে পারে যুদ্ধে ব্যবহারের ১০টি ট্যাঙ্ক। এর যে পাখা তা দুটি ফুটবল মাঠের সমান। বিমানটি গ্রিস যাওয়ার পথে বৃটেনের রয়েল এয়ারফোর্সের একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করে।
শুভেচ্ছা হিসেবে তা সেখানে অবতরণ করে। এরপর উড়ে যায় গ্রিসে। এর মালিক সংস্থা এখন এটিকে কার্গো হিসেবে ব্যবহার করছে। বলা হচ্ছে, এতে ২৫০ টন পর্যন্ত পণ্য বহন করা হবে। বিমানটি বৃটেনে অবতরণ করার মতো রানওয়ে নেই। তাই তা যাতে যাওয়ার পথে বৃটেনে শুভেচ্ছা সফরে অবতরণ করতে পারে সে জন্য আন্তোনোভ এয়ারলাইন্স সম্প্রতি বৃটেনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে একটি নতুন ঘাঁটি নির্মাণ করে। ইউক্রেনে নির্মিত আকাশের এই দানবের দৈর্ঘ্য ২৭৫ ফুট বা ৮৪ মিটার। পাখার বিস্তার ২৮৮ ফুট বা ৮৮ মিটার, যা একটি ফুটবল মাঠের দ্বিগুন। অক্সফোর্ডশায়ারের রয়েল এয়ার ফোর্স ঘাঁটি থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ভারি ও বড় এই বিমানটি এ সপ্তাহে আরএএফ ব্রিজ নর্টনে অবতরণ করেছিল। এতে আছে ৩২টি চাকা। প্রকৃতপক্ষে এটি সোভিয়েত মহাকাশ কর্মসূচির জন্য সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল। একবারে এটি যুদ্ধে ব্যবহৃত ১০টি ট্যাংক বা দুই লাখ ৫০ হাজার কিলোগ্রাম ওজনের পণ্য বহন করতে পারে।

কলরেট বাড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : কলরেট বাড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনের সদস্যরা এ মানববন্ধন করেন।

সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় নেয়নি। তারা অপারেটরদের স্বার্থে ভয়েস কলের ফ্লোর রেটের কলরেট ২৫ পয়সা থেকে ৪৫ পয়সা করেছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে তাদের গ্রাহকদের মতামত নেয়া উচিৎ ছিল।

তিনি বলেন, সঠিক সেবা না পেয়েই বর্তমানে গ্রাহকেরা তুলনামূলক বেশি পয়সা দিয়ে আসছেন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যয় আরো বাড়বে। এই সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত।

মহিউদ্দীন আহমেদ জানান, বর্তমান কলরেটে অপারেটর+আইসিএক্স+আইজডব্লিউ+এনটিটিএন’র ভ্যাট যোগ করলে কলরেট দাঁড়াবে প্রায় ৫২ পয়সা, যা আগের অফনেটের ফ্লোররেটের সমান।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, শুধুমাত্র অপারেটরদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লোকচক্ষুর অন্তরালে এই মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করে জনগণের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত অর্থ জনগণকে ফেরত দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী ছাবের আহমেদ ছাব্বীর, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন-অর রশিদ খান, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, সমাজাতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. সামছুল আলম প্রমুখ অংশ নেন।মানববন্ধনে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী আমান উল্যাহ মাহফুজ।

যে মোবাইলেই কল হোক, সর্বনিম্ন রেট ৪৫ পয়সা

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: মোবাইল ফোনে নিজের অপারেটর এবং অন্য অপারেটরে আলাদা কলরেটের নিয়ম বদলে সব মোবাইলের জন্য প্রতি মিনিট সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা ট্যারিফ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
সেই সঙ্গে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে অন্যান্য অপারেটরদের ইন্টারকানেকশন চার্জ পুনঃনির্ধারণ করে সোমবার চিঠি পাঠানো হয়েছে চার অপারেটরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।

দেশের সব অপারেটরকে ১৪ অগাস্ট প্রথম প্রহর, অর্থাৎ সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১টা মিনিট থেকেই নতুন ট্যারিফ প্ল্যান কার্যকর করতে বলা হয়েছে ওই চিঠিতে।
এতদিন একই অপারেটরে (অন-নেট) ফোন কলের জন্য গ্রাহকদের প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা এবং অন্য অপারেটরে (অফ-নেট) ৬০ পয়সা হারে ট্যারিফ প্রযোজ্য হত।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে অন-নেট, অফ-নেটের ব্যবধান আর থাকল না। গ্রাহক যে অপারেটরেই কথা বলুক না কেন, প্রতি মিনিটে তার খরচ হবে প্যাকেজ, সময় আর ট্যারিফ প্ল্যান ভেদে ৪৫ পয়সা থেকে ২ টাকার মধ্যে। সেই সঙ্গে আগের মতই ভ্যাট ও অন্যান্য শুল্ক প্রযোজ্য হবে।
একই অপারেটরের নম্বরে ফোন করা হলে সেটিকে বলা হয় অননেট আর অন্য অপারেটরে ফোন করা হলে তা হয় অফনেট। নতুন নিয়মে
অফ-নেট কলে ইন্টারকানেকশন চার্জ ১৪ পয়সা (আইসিএক্স শূন্য দশমিক শূন্য ৪ পয়সা এবং টার্মেনেটিং অপারেটর ১০ পয়সা প্রতি মিনিট) নির্ধারণ করা হয়েছে। এই চার্জ কেবল অপারেটরদের জন্য প্রযোজ্য হবে, গ্রাহকের ওপর নয়।
বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, এখন থেকে আর মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। কলরেটের নতুন সীমা সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা। আর সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা। এত দিন একই অপারেটরে (অননেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২৫ পয়সা আর অন্য অপারেটরে (অফনেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ পয়সা।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালুর আগে অননেট ও অফনেট কলের পার্থক্য দূর করা দরকার ছিল। এটা না করা হলে বাজার প্রতিযোগিতায় ছোট অপারেটররা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। নতুন কলরেট অনুযায়ী এখন মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকদের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে।
অপারেটরদের দাবি, নতুন কলরেটে গ্রাহকের ফোন করার খরচ কমবে। কারণ এত দিন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হতো ৪০ পয়সা। আর অফনেট অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা পর্যন্ত। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। এতে গ্রাহকসংখ্যায় পিছিয়ে থাকা অপারেটরের গ্রাহকেরা বেশি সুবিধা পাবেন।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে, ১০ শতাংশ কল অফনেটে হয়। অন্যদিকে সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে। রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

৫৭ ধারা এখন ডেড, এ ধারায় আর মামলা হবে না: মোস্তাফা জব্বার

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ৫৭ ধারা বলে আর কিছু থাকবে না। এটি ডেড হয়ে যাবে। সংসদীয় কমিটিতে নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা সংসদের আগামী অধিবেশনে পাস হবে।
তিনি আরও বলেন, ৫৭ ধারায় যেসব মামলা হয়েছে, তার বেশিরভাগই আইনের অপপ্রয়োগ। নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে সে সুযোগ থাকবে না। কারণ আইনে একটি কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে। ওই কমিশনের অনুমোদন ছাড়া এ আইনে কেউ মামলা করতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা ডিজিটাল ও সাইবার ক্রাইম বন্ধ করতে চাই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। বর্তমানে ৫৭ ধারায় যে মামলাগুলো আছে, সেগুলো বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে চায়। সেটি শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, রাজধানী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন এবং গ্রামপর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল হবে। সে ক্ষেত্রে ডিসিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মিথ্যা খবর সরাবে না ফেসবুক

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: মিথ্যা খবর সরিয়ে নেবে না ফেসবুক। এর পেছনে সামাজিক মাধ্যমটি যুক্তি দিয়েছে, কারণ এটি তাদের ‘কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড’ লঙ্ঘন করে না। কারণ যারা এ প্ল্যাটফর্মে খবর প্রকাশ করছে তাদের একেকজনের সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। মনগড়া পোস্টগুলো সরানোর অর্থ হবে মুক্ত বাক-স্বাধীনতার মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। যেসব খবরকে ‘ভুয়া খবর’ বলে মনে হবে এমন পোস্টকে নিউজ-ফিডে নিচু অবস্থানে রাখা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল রাশিয়া-এমন তথ্য আসার পর ভুয়া খবর বা মিথ্যা খবর ছড়ানোর ক্ষেত্রে ফেসবুকের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ শুরু হয়।
ফেসবুক কর্মকর্তা জন হেজম্যান বলেন, আমরা ফেসবুক চালু করেছি এমন একটি জায়গা হিসেবে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ তাদের বক্তব্য বা মতামত তুলে ধরতে পারে।

কোম্পানিটি বলছে, তাদের নিয়ম ভঙ্গ করে না এমন কোন মিথ্যা খবর তারা সরিয়ে নেবে না। তবে বানোয়াট খবর মনে হবে যেগুলো, সেগুলোকে নিম্ন-র‌্যাংকিংএ ফেলা হবে।
ফ্যাক্ট চেকাররা মিথ্যা বলে শনাক্ত করেছেন এমন আর্টিকেলকে লাল রং এর সতর্কতামূলক আইকন দিয়ে পরীক্ষামূলক এক পদ্ধতি চালু করেছিল এই ওয়েবসাইটটি। সূত্র: বিবিসি

এরদোগানকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিবাচিত হওয়ায় রেসিপ তাইয়েপ এরদোগানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বলেছেন, দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে আপনার পুনর্নিবাচিত হওয়ার খবর শুনে আমি খুশি হয়েছি। আমি মনে করি, এই নির্বাচন হচ্ছে, আপনার প্রতি তুরস্কের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের একটি পরীক্ষা।

তিনি বলেন, এই খুশির মুহূর্তে আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং আমার সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশ এবং তুরস্কের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের উল্লেখ করে বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক বিরাজ করছে। সূফিবাদের কালোত্তীর্ণ ঐতিহ্য আমাদের দু’দেশের জনগণকে ঘনিষ্ট করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের জনগণ কাঙ্খিত শান্তি, উন্নয়ন ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় হাতে হাত রেখে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গা জনগণের প্রতি এরদাগোনের ব্যক্তিগত সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে এই নিপিড়িত নির্যাতিত মানুষগুলোর প্রতি তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ ও সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

লেন্সের ভুল ব্যবহার দৃষ্টিহীন করতে পারে!

নিউজ মিডিয়া ২৪:ডেস্ক: চোখে লেন্স পরা আর সেলিব্রেটিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এখন ফ্যাশন সচেতন তরুণ-তরুণীদের কাছেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে লেন্স। কেউ পরছেন চোখের চশমা এড়াতে আবার কেউ পরছেন চোখের মণির রঙে পিয় রং মেশাতে। কিন্তু লেন্স ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানলে বা নিয়ম না মানলে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা থেকে যায়।
সম্প্রতি এক অনলাইন গবেষণায় জানা গেছে, প্রায় ৫০ শতাংশ কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারী কন্টাক্ট লেন্স চোখ থেকে না খুলেই ঘুমিয়ে পরেন। শতকরা প্রায় ৮২ জন ব্যবহারকারী যতটুকু সময় লেন্স পরে থাকা উচিত তারচে’ বেশি সময় পরে থাকেন।
গবেষকরা জানিয়েছেন, কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের নিয়ম যারা মেনে চলেন না তাদের প্রায় ৯৯ শতাংশই চোখের গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হন। সঠিক নিয়মে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার না করলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, এমনকি চোখ দৃষ্টিহীনও হয়ে যেতে পারে।
গবেষক থমাস স্টেনম্যান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে লেন্স পরে থাকলে লেন্সে ময়লা জমার সম্ভবনা থাকে এবং তা থেকে হতে পারে জীবাণুর সংক্রমণ। লেন্স পরলে চোখের কর্নিয়ারও ক্ষতি হয়।
চোখে জীবাণুর সংক্রমণের ফলে অনেক সময় চোখে ব্যথা করে এবং চোখ লাল হয়ে যায়। চোখ থেকে পানি বেরোতে থাকে। জীবানুর সংক্রমণে সেই ব্যথা বেরে আরও ক্ষতি হতে পারে। তাই লেন্স ব্যবহারের আগে অতি অবশ্যই জেনে নিন এর সঠিক ব্যবহার। কিভাবে লেন্স ব্যবহার করলে তার কোনও খারাপ প্রভাব পড়বে না আপনার চোখে।
১. চোখ সুস্থ রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় লেন্স পরে থাকা উচিত নয়।
২. ঘুমানোর সময় অতি অবশ্যই লেন্স খুলে রাখতে হবে।
৩. ব্যবহারের পর চোখ থেকে লেন্স খুলে পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
৪. তিন মাস পর পর লেন্স পরিবর্তন করা চোখের পক্ষে ভালো।
৫. চোখে লেন্স পরার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।

৩৭তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ১৩১৪ জন চূড়ান্ত

নিউজ মিডিয়া ২৪:v ঢাকা: বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৩১৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
আজ মঙ্গলবার পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মেহেদী শাহনেওয়াজ জলিল এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৩৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য ১ হাজার ৩১৪ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে এক হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।
২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। যাদের মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষার জন্য ৮ হাজার ৫২৩ জনকে মনোনীত করা হয়।
২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি, মৌখিক পরীক্ষার জন্য ৫ হাজার ৩৭৯ জনকে উত্তীর্ণ করা হয়েছিল।

পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে জ্বলন্ত মহাকাশ কেন্দ্র

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন- অকেজো হয়ে পড়া চীনা মহাকাশ স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ সোমবারের মধ্যেই ভূপৃষ্ঠে এসে আছড়ে পড়বে। তবে কোথায় পড়বে তা এখনও কেউ ধারণা করতে পারছেন না।
টিয়াংগং-১ নামে এই মহাকাশ গবেষণা স্টেশনটি চীনের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান অংশ ছিল।-খবর বিবিসি অনলাইনের।
চীনের লক্ষ্য হচ্ছে- ২০২২ সাল নাগাদ তারা মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি মহাকাশ কেন্দ্র মহাশূন্যে পাঠাতে চায়। টিয়াংগং-১ ছিল তারই পূর্ব প্রস্তুতি।
২০১১ সালে মহাকাশ কেন্দ্রটি কক্ষপথে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে।
চীনা ও ইউরোপীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, সোমবার নাগাদ মাহাকাশ কেন্দ্রটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এটিতে আগুন ধরে যাবে। তারপরও কিছু ধ্বংসাবশেষ মাটিতে এসে পড়বে।

চীনের মহাকাশ প্রকৌশল দফতর তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্ভয় দিয়েছে, কোনো সায়েন্সফিকশন সিনেমার মতো ঘটনা ঘটবে না। বরঞ্চ দেখার মতো কোনো ঘটনা ঘটতে পারে, আকাশে উল্কাবৃষ্টির মতো দৃশ্য চোখে পড়তে পারে।
কোথায় এসে পড়বে এই মহাকাশ স্টেশন?
২০১৬ সালে চীন জানায়, টিয়াংগংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তারা সেটিকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। ফলে কোথায় গিয়ে সেটি পড়বে, তা বলা যাচ্ছে না।
ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানাচ্ছে, এটি নিউজিল্যান্ড থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কোনো এক জায়গায় গিয়ে পড়বে।
কীভাবে এটি বিধ্বস্ত হবে?
অস্ট্রেলিয়ার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের ড. এলিয়াস আবোটানিয়োস বলেছেন, বায়ুমণ্ডলে ঢোকার পর এটির পতনের গতি ক্রমে বাড়তে থাকবে।

একপর্যায়ে এর গতি ঘণ্টায় ২৬ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে।
তিনি বলেন, ভূপৃষ্ঠের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছানোর পর এটি গরম হতে থাকবে। ফলে এটি পুড়তে শুরু করবে। শেষ পর্যন্ত মাটিতে পড়ার আগে এর কত অংশ টিকে থাকে বলা কঠিন। কারণ এর গঠন নিয়ে চীন কখনও কিছু খুলে বলেনি। ভয়ের কি কোনো কারণ রয়েছে?
বিজ্ঞানীরা বলছেন- না। যদিও এই মহাকাশ স্টেশনটির ওজন ৮.৫ টন, কিন্তু বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এটি টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। তবে যন্ত্রগুলো যেমন, তেলের ট্যাংক বা রকেট ইঞ্জিন হয়তো পুরোপুরি ভস্মীভূত নাও হতে পারে। যদি না হয়, তা হলেও এগুলো কোনো মানুষের ওপর এসে পড়বে সেই সম্ভাবনা খুবই কম।
আবোটানিয়োস বলছেন- এসব ক্ষেত্রে ধ্বংসাবশেষের সিংহভাগই গিয়ে পড়ে সাগরে।
টিয়াংগং-১ কেমন মহাকাশ স্টেশন?

যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় মহাকাশে চীনের যাত্রা অল্প দিন আগের ঘটনা। ২০০১ সালে প্রথম চীন মহাকাশে যন্ত্র পাঠায়। তার পর ২০০৩ সালে প্রথমবার চীনা কোনো নভোচারী মহাকাশে যায়।
এর পর ২০১১ সালে এসে চীন প্রথম মহাকাশ স্টেশন পাঠায়, যার নাম টিয়াংগং-১ বা স্বর্গের প্রাসাদ।
এই কেন্দ্রে মানুষ যেতে পারত, তবে অল্প কদিনের জন্য। ২০১২ সালে একজন নারী নভোচারী টিয়াংগংয়ে গিয়েছিলেন। দুবছর পর অর্থাৎ ২০১৬ সালের মার্চের পর থেকে এটি আর কাজ করছিল না।