দীপিকা পাড়ুকোনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের বাড়িতে। মুম্বাইয়ের ওরলিতে একটি বিলাসবহুল আবাসনে থাকেন দীপিকা। তার ৩২ তলায় আজ দুপুর ২টা নাগাদ আগুল লাগে বলে খবর পাওয়া যায়। বিশাল মাপের আবাসন হওয়ায় এখানে বাসিন্দার সংখ্যাও অনেক। আগুনে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের বড় মাপের ছ’টি ইঞ্জিন। পুলিশ জানিয়েছে, এই আবাসনেই থাকেন বলিউড সেলেব দীপিকা পাড়ুকোন। এখানে তার অফিসও রয়েছে। আবাসন থেকে ৯০টি পরিবারকে পুলিশ নিরাপদে বাইরে বের করে এনেছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মুম্বাই পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থলে দমকল এবং পুলিশ কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো উদঘাটন করা যায়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, আজ বুধবার আচমকাই বহুতলের ৩৪ তলায় আগুন ধরে যায়। দু’টি তলায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পরে। ঘটনাস্থলে দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন এবং বিশাল আকারের জলের ট্যাঙ্কার এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চালানো হয়।

জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় দীপিকা ওই বাসভবনে ছিলেন না।

প্রিয়াঙ্কার পর এবার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লেখিকাকে হুমকি

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা: মার্কিন টিভি সিরিজ কোয়ান্টিকো’র একটি বিতর্কিত পর্বকে ঘিরে হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবার আক্রমণ করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান লেখককে। শর্বরী জোহরা আহমেদ নামের ওই লেখকে তারা ধর্ষণেরও হুমকি দিচ্ছেন।
বিতর্কিত পর্বটির কাহিনীতে হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের একটি সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। সেখানে প্রধান একটি চরিত্রে অভিনয় করেন বলিউড সুপারস্টার প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও। এর আগে তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন ও ওই চরিত্রটিতে অভিনয় করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
এই কাহিনী রচনায় শর্বরী জোহরা আহমেদের কোনো ভূমিকা না থাকলেও হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা তাকে গালাগালি করছে। যেসব লেখক কোয়ান্টিকোর কাহিনী লিখে থাকেন, শর্বরী জোহরা আহমেদ সেই টিমে ছিলেন শুধু প্রথম মওসুমের জন্য। মাত্র দুটো পর্বের কাহিনী রচনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন তিনি। তার একটি তিনি একাই লিখেছিলেন, আর দ্বিতীয়টির দু’জন লেখকের তিনি ছিলেন একজন।
শর্বরী জোহরা আহমেদ বারবার তার টাইমলাইনে একথা উল্লেখ করার পরেও, হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা তাকে আক্রমণ করেই যাচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছে, শান্তিকামী হিন্দুদের বিরুদ্ধে ইসলামপন্থীদের প্রচারণার অংশ নিচ্ছেন তিনি।
টুইটারে একজন মন্তব্য করেছেন, কোয়ান্টিকোর কাহিনী লিখতে গিয়ে আপনি যে লিখেছেন ‘ভারতীয়রাই হামলার পরিকল্পনাকারী’, তখন কি আপনার ফ্যান্টাসি কল্পনার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল? আপনার মনের গভীরে যে পক্ষপাতিত্ব, ঘৃণা, হিন্দুবিরোধী মনোভাব ও ইসলামের পক্ষ নেওয়ার বিষয়গুলো প্রোথিত আছে, সেকারণেই কি এরকম লিখেছেন?
শর্বরী জোহরা আহমেদ বলেন, তিনি আশা করছিলেন যে, যখন তারা জানতে পারবে এই পর্বটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই, তখন তারা চুপ করে যাবেন। কিন্তু সেরকম কিছু হয়নি। আক্রমণের মাত্রা খুব দ্রুতই বেড়েছে। এসব এতোই হিংস্র হয়ে উঠেছে যে, যারা আমাকে সমর্থন করছেন তাদেরও তারা হামলা ও ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে।
হুমকিদাতারা তাকে ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিরোধী প্রচারণায় একজন মুসলিম এজেন্ট হিসেবে দেখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা গুগলে সার্চ করে অথবা স্ক্রিনে যাদের নাম লেখা থাকে সেই তালিকা দেখে জেনে নিতে পারেন, আসল সত্যটা কী।
‘দ্য ব্লাড অফ রোমিও’ নামের এই পর্বটি প্রচারিত হয়েছিল ১ জুন। এতে দেখা যায়, অ্যালেক্স পারিশ নামের প্রধান চরিত্রটি একটি সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন। ওই এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
কাশ্মীরে এক সম্মেলনের আগে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং কাহিনীতে দেখানো হয়েছে, আসলে কয়েকজন হিন্দু জাতীয়তাবাদী এই পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তারা দোষ দিতে চেয়েছিলেন পাকিস্তানিদের। সূত্র: বিবিসি।

পদ্মাবতীকে নিয়ে নতুন ছবি

সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘পদ্মাবতী’ ছবি নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এসেছে নতুন খবর। চিতোরের রানি পদ্মাবতী বা পদ্মিনীকে নিয়ে আরেকটি ছবি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন অশোক শেখর নামের এক নির্মাতা। তাঁর ছবির নাম ‘ম্যায় হুঁ পদ্মাবতী’। ছবির শুটিং শুরু হবে শিগগিরই।

পরিচালক ও প্রযোজক সঞ্জয় লীলা বানসালির বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘পদ্মাবতী’। এই ছবির পেছনে রয়েছে তাঁর অনেক দিনের গবেষণা আর অক্লান্ত পরিশ্রম। কিন্তু শুরু থেকেই ছবিটি নিয়ে নানা জটিলতায় পড়েছেন এই পরিচালক। ভারতীয় কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন এই ছবির ঘোর বিরোধিতা করছে। তাঁদের দাবি, এখানে রানি পদ্মাবতীর সম্মানহানি করা হয়েছে। বানসালির বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ এনেছেন কয়েকজন। এমনকি ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা দীপিকা পাড়ুকোনের মাথা ও জিহ্বা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

বানসালির ছবিটি মুক্তির আগেই যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা এড়াতেই নাকি ‘ম্যায় হুঁ পদ্মাবতী’র গল্প লিখছেন রাজস্থানের একজন লেখক। নতুন এই ছবির প্রযোজক জানিয়েছেন, ছবির গল্প লেখার জন্য রাজস্থানের স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অশোক শেখর আরও জানান, তাঁর ছবিতে মূল চরিত্রে দেখা যাবে কয়েকজন নবাগতকে। আর ছবিটি মুক্তি দেওয়া হবে হিন্দি ও রাজস্থানের আঞ্চলিক ভাষায়।

সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘পদ্মাবতী’ সহজেই চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাচ্ছে বলে মনে হয় না। কারণ, এ সপ্তাহে ছবিটি দেখার পরিকল্পনা স্থগিত করেছে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি)। এ বিষয়ে তারা বিশেষজ্ঞদের হস্তক্ষেপ কামনা করছে। ‘পদ্মাবতী’ সিনেমায় দীপিকা পাড়ুকোন ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন রণবীর সিং, শহীদ কাপুর ও অদিতি রাও হায়দারি। টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিয়ের অতিথিদের জন্য উপহার!

বলিউড তারকা আনুশকা শর্মা আর ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলির বিয়ের খবর প্রকাশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত চলেছে নানা জল্পনা। ১১ ডিসেম্বর ইতালিতে বিয়ের পর নিজেরাই টুইটারে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন ‘বিরুশকা’। এরপর ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠানের খুঁটিনাটি সব তথ্য। এক সপ্তাহ হতে চলল, কিন্তু ‘বিরুশকার’ এই রূপকথার মতো বিয়ে নিয়ে আলোচনা যেন শেষ হচ্ছে না। এবার এই তারকা জুটির বিয়ের অন্যতম আয়োজক দেবিকা নারায়ণ দিলেন আরেক তথ্য। ব্যয়বহুল এই বিয়েতে আসা অতিথিদের জন্য নাকি ছিল দারুণ এক ‘রিটার্ন গিফট’ বা ফিরতি উপহার।

দেবিকা জানান, ইতালির ফ্লোরেন্সে পরিবার ও বন্ধু মহলের ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি। সেই অনুষ্ঠানে আসা প্রত্যেক অতিথির হাতে তাঁরা তুলে দেন পারস্যের কবি জালালউদ্দিন মোহাম্মদ রুমির কবিতাসমগ্র। অনেকেরই হয়তো অজানা, বিরাট ও আনুশকা দুজনেই আধ্যাত্মিক চর্চা করেন। আর তাঁদের রুমির কবিতা ভীষণ প্রিয়।

দেবিকা আরও বলেন, তিন থেকে চার মাস আগেই তিনি এই বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত হন। শর্ত ছিল, ভুলেও ‘বিরুশকা’র বিয়ের খবর ফাঁস কথা যাবে না। এমনকি আলাপের সময় বর-কনের নাম উচ্চারণ করতেন না তিনি। পাছে আনুশকার সঙ্গে বিরাটের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে, তাই এই নায়িকাকে সব সময় ‘নতুন কনে’ বলে সম্বোধন করতেন।

দেবিকার কাছ থেকে আরও জানা যায়, আনুশকা নাকি বিয়ের সময় আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতোই আচরণ করেছেন। এই বিয়ে আয়োজকের মতে, ‘আনুশকা একেবারেই গতানুগতিক এক কনের মতো আচরণ করেন। তিনি আমাকে বিভিন্ন নমুনা ছবি দেখাতেন। বিয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এই কনে। অনুষ্ঠানে কোন কাজ কীভাবে হবে, সব তাঁরই পরিকল্পনা ছিল। আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি মাত্র।’

ইতালিতে বিয়ের তিন দিন একই অতিথিরা নিমন্ত্রিত ছিলেন। প্রথম দিন ছিল ‘পানচিনি অনুষ্ঠান’ এবং তার সঙ্গে অতিথিদের জন্য ছিল মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। দ্বিতীয় দিন ছিল ‘মেহেদির অনুষ্ঠান’। সেদিন অতিথিদের জন্য রাতে ছিল ‘বন ফায়ার’। আর তৃতীয় দিন ছিল মূল আয়োজন, মানে বিয়ের অনুষ্ঠান।

২১ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ও ২৬ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে আনুশকা-বিরাটের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে ইতিমধ্যে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র পৌঁছে গেছে। অবশ্য এটিকে শুধু নিমন্ত্রণপত্র বললে ভুল হবে। কারণ নিমন্ত্রণের সঙ্গে এই জুটি অতিথিদের কাছে পাঠিয়েছেন শুকনো ফল, মিষ্টান্ন আর একটি করে গাছের চারা। অভিনব ভাবনা বটে! ইন্ডিয়া টুডে

২২ বছর একই সমস্যায় ভুগছেন রানী

বলিউড তারকা রানী মুখার্জি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। অথচ এত দিন এই সমস্যা তিনি সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছেন। কিন্তু এখন তিনি সাংবাদিকদের সামনে তাঁর এই সমস্যার কথা বললেন। আগামী বছর মুক্তি পাচ্ছে রানীর ছবি ‘হিচকি’। আর এই ছবিতে নাকি তাঁকে তোতলাতে দেখা যাবে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় যে ‘হিচকি’ ছবিতে রানীর অভিনীত চরিত্রটি নাকি তাঁর বাস্তব জীবন নিয়ে!

সম্প্রতি রানী বললেন, ‘আমি আমার তোতলানোর সমস্যা নিয়ে রীতিমতো সচেতন থেকেছি। তবে আমি এখন সমস্যাটা কাটিয়ে উঠেছি। ২২ বছর ধরে আমি তোতলানোর সমস্যায় ভুগছি, তা অনেকেই টের পায়নি। এমনকি আমার টিমও অনেক বছর এ সম্পর্কে কিছু জানেনি। কেউ যাতে ধরতে না পারে, তার জন্য আমি অনেক কিছু করেছি। অনেক চেষ্টা করে আজ আমি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছি।’

শুটিংয়ের সময় আর সংলাপ বলার ক্ষেত্রে রানী খুব সচেতন থাকতেন। আর সংলাপ বলার সময় কোথায় থামতে হবে, সে ব্যাপারে খুব খেয়াল রাখতেন। প্রযোজক-পরিচালক আদিত্য চোপড়ার স্ত্রী রানী বলেন, ‘আমি জীবনের সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক দিক দেখতে চেষ্টা করি। আর তার সুফল পেয়েছি। আমার মেয়ে আদিরার মুখে যখন হাসি দেখি, তখন আমি বেশি খুশি হই। আর আদিরার জন্য আমি আমার বাবার মৃত্যুর শোক কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারছি।’