রাজধানী বাড্ডায় খুনিদের আতংকে দিন কাটছে জাহাঙ্গীরের পরিবার ?

‘হিট অব দ্য মোমেন্টে’
রাজধানী বাড্ডা থানার এমপি রহমত উল্ল্যার এমন উচ্চারণের ভুমিকায় ভেস্তে গেলো জাহাঙ্গীরের পরিবার ?
অনুসন্ধান রিপোর্ট :- এমপি রহমত উল্ল্যার এমন উচ্চারণের ভুমিকায় ভেস্তে গেলো বাড্ডা থানার বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের স্নেহের দুই ভাই কামরুজ্জামান দুখু মিয়া (৩৫) নিহত,আর গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দ্বিতীয় ভাই মো: কামাল হোসেন । এমন বর্বর নিযাতন শিকার হয়ে বর্তমানে দিন কাটাছ্চেন বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও বাড্ডা থানার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ।
জানা গেছে ,আসন্ন সিটি নির্বাচন নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন জাহাঙ্গীর আলম ও ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ।রিট আবেদনের কারণে আটকে গেছে ডিএনসিসির নির্বাচন।নির্বাচন বন্ধ/রিট করার কারনেই মুলত জাহাঙ্গীরের সঙ্গে স্থানীয় এমপি রহমত উল্লাহ ও তার ভাগ্নে ফারুকের দ্বন্দ্বের সুত্রপাত ঘটে ।ওই থেকে জাহাঙ্গীরের পরিবারের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাওয়া ও ইউনিয়ন পরিষদে তালা বন্ধকরা এবং আমার ব্যবসায়ী কাজে বাধা দেওযাসহ নানা ভাবে হুমকি দেয স্থানীয় এমপি রহমত উল্লাহ ও তার ভাগ্নে ফারুক গংরা ।

বেরাইদের প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- বালু নদের পাড়ে ক্রাউন রেডিমিক্স ফ্যাক্টরিতে পাথর ও বালু সরবরাহ করে আসছিলেন জাহাঙ্গীরের ভাই কামরুজ্জামান।ঘটনার দিন দুপুর দেড়টার দিকে কামরুজ্জামান তার ভাগ্নে সানি ও ভাতিজা আবদুল হাকিমকে নিয়ে বকেয়া বিল জমা দিতে ক্রাউনের ফ্যাক্টরিতে যান। তবে চলতি মাসে ওই প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল সরবরাহের কাজ কামরুজ্জামানের কাছ থেকে বাগিয়ে নেন এমপি রহমত উল্লাহর ভাগ্নে ফারুক ও তার লোকজন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। কামরুজ্জামান বিল জমা দিতে ওই ফ্যাক্টরিতে গেলে ফারুক তার সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে কামরুজ্জামানের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে সানি আহত হন। এরপর মার খেয়ে তারা বেরাইদে নিজ বাসায় চলে আসেন। কামরুজ্জামান বিষয়টি তার লোকজন ও পুলিশকে অবহিত করেন। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই সময় কামরুজ্জামান ও তার দুই ভাই কামাল হোসেন, তাজ মোহাম্মদ, ফুফাতো ভাই শরীফ হোসেন ও চাচা নাজির হোসেনসহ ১০-১২ জন বেরাইদের ৩০ ফুট সড়ক সংলগ্ন ফোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বিল্ডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সামনে যান। ওই এলাকায় আগে থেকে ফারুক ২০-২৫ জন সমর্থক নিয়ে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তারা মুখোমুখি হন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতেই ফারুক গংরা কামরুজ্জামানের দিক লখ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে। প্রায় ২০-২৫ মিনিট ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। ঘটনাস্থলে পুলিশের দুটি টিম থাকলেও সংঘর্ষ থামাতে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি তারা। এক পর্যায়ে কামরুজ্জামানের মাথার পেছনে গুলি লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এতে আহতহন আরো সাতজন আহতদের মধ্যে সাতজনকে রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ- বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর গত আট বছরে অনিয়ম-দুর্নীতি করার সুযোগ না দেয়ায় এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ক্ষোব তরৈ হয় । তাই তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে স্থানীয় এমপি রহমত উল্লাহর ভাগ্নে ফারুক ও তার লোকজন ।তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক গংরা।জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন ভাবে ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। তার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটাচ্ছে। এমন কি সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে নামে/বেনামে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি শিকার হতে হয় তাকে ।

প্রকাশিত টিবি নিউজ : https://www.youtube.com/watch?v=sg1Jm52QE6s

তিনি আরও বলেন, এমপি রহমত উল্লাহ তার ভাগ্নে ফারুককে মহানগর আওয়ামী লীগের পদ দিতে চান। ছেলে হেদায়েত উল্লাহকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর করতে চান। তবে তিনি মামলা করায় হেদায়েত উল্লাহ কাউন্সিলর হতে পারেননি। রহমত উল্লাহ এতে ক্ষুব্ধ। গুলি করার সময় ফারুক, সাজ্জাদ, মহসিন, আইয়ুব ও মশিউরসহ অন্তত ২৫-৩০ জন উপস্থিত ছিল বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর।

আরো জানা গেছে, সম্প্রতি বেরাইদকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার পর এই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা নিয়ে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত হয়। ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচনের সময় এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সে সময় বেরাইদ মুসলিম হাইস্কুল মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বসে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে রহমত উল্লাহর ছেলে হেদায়েত উল্লাহর নাম প্রকাশ করেন। ওই সময় জাহাঙ্গীর আলমও উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম ছাড়ার পর হেদায়েত উল্লাহর পাশাপাশি জাহাঙ্গীর কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তার পর থেকে জাহাঙ্গীরের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে স্থানীয় এমপি রহমত উল্লাহর লোকজন ।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম এক সময় আওয়ামী লীগের এমপি রহমত উল্লাহর ‘কাছের লোক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে নির্বাচনের প্রার্থীতা/মনোনয়ন ফরম নেয়ার কারনে তাদের দু-জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।এতে করে দুই পক্ষের শেষ পর্যন্ত তা প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ নিল।
তবে জাহাঙ্গীরের পরিবারের উপর এমন নির্যাতন করে থেমে নেই তারা । জীবনের উপর যুকি নিয়ে আতংকে জীবন যাপন করেন বর্তমান বেরাইদের ইউপি, চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম । অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এমন ভাবে তাজা জীবন দিতে হলো দুই ভাইকে ।বর্তমানে আইনি লড়াই আর মানবতায জীবন নিয়ে স্থানীয় এমপি রহমত উল্লাহ ও তার ভাগ্নে ফারুকের হুমকি সহ ভাইকে প্রকাশ্যে গুলিকরে খুন করায় তাদের থেকে রক্ষা পেতে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর দূষ্টি আকর্শন করে এর সু-বিচার দাবী করছি ।

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতিরঢাবির ১৫ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার দায়ে অভিযুক্ত ১৫ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদ (ডিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে পরিষদের এক বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।
বৈঠক শেষে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান সুপারিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের সভায় এই সুপারিশ কার্যকর করা হবে।
বিভিন্ন বিভাগের এই ১৫ শিক্ষার্থী ২০১৬ সালে জালিয়াতির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানী বলেন, শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশই চূড়ান্ত। এটা আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যকর করা হবে।
তিনি বলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), গণমাধ্যম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুসন্ধানের এই ১৫ জনের জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে।